দুই এএসআইকে মারধর করে অস্ত্র ছিনতাই
jugantor
নড়াইলের লোহাগড়া
দুই এএসআইকে মারধর করে অস্ত্র ছিনতাই

  লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের লোহাগড়া থানার পুলিশের দুই সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) মারধর করে গুলিসহ পিস্তল ছিনিয়ে নিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই নারীকে আটক করা হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটকরা হলেন জাহানারা বেগম (৫৫) ও সোহানা রোজি (৩২)। পুলিশকে মারধর করে অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমড়ি গ্রামের ওহিদ সরদারের সমর্থকদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মাউলি গ্রামের রোকনউদ্দিন মোল্যা ও লুটিয়া গ্রামের ফিরোজ শেখের সমর্থকদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওহিদ সরদারের সমর্থক টিকেরডাঙ্গা গ্রামের বুলু সরদারকে তার বাড়িতে প্রতিপক্ষ রোকনউদ্দিন ও ফিরোজ সমর্থকরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষ কুমড়ি এলাকার টিকেরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সংঘাতের প্রস্তুতি নেয়।

খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার এএসআই মীর আলমগীর ও মিকাইল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বেধড়ক লাঠিচার্জ করেন। পুলিশের লাঠিচার্জে ওহিদ সরদার সমর্থিত কুমড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ সরদার (৭৫) ও সনি সরদারসহ ৭-৮ জন আহত হন। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ওই দুই এসআইর ওপর চড়াও হন। তাদের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে এবং এএসআই মীর আলমগীরের কাছে থাকা চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু (৭.৬২) এমএম পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

গুরুতর আহত ওই দুই পুলিশ সদস্যকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়ের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বিকালে পার্শ্ববর্তী মাউলি এলাকার একটি পাকা সড়কের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় লুণ্ঠিত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়।

এদিকে পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে কুমড়ি গ্রামসহ আশপাশের এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

নড়াইলের লোহাগড়া

দুই এএসআইকে মারধর করে অস্ত্র ছিনতাই

 লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের লোহাগড়া থানার পুলিশের দুই সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) মারধর করে গুলিসহ পিস্তল ছিনিয়ে নিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই নারীকে আটক করা হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটকরা হলেন জাহানারা বেগম (৫৫) ও সোহানা রোজি (৩২)। পুলিশকে মারধর করে অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমড়ি গ্রামের ওহিদ সরদারের সমর্থকদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মাউলি গ্রামের রোকনউদ্দিন মোল্যা ও লুটিয়া গ্রামের ফিরোজ শেখের সমর্থকদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওহিদ সরদারের সমর্থক টিকেরডাঙ্গা গ্রামের বুলু সরদারকে তার বাড়িতে প্রতিপক্ষ রোকনউদ্দিন ও ফিরোজ সমর্থকরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষ কুমড়ি এলাকার টিকেরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সংঘাতের প্রস্তুতি নেয়।

খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার এএসআই মীর আলমগীর ও মিকাইল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বেধড়ক লাঠিচার্জ করেন। পুলিশের লাঠিচার্জে ওহিদ সরদার সমর্থিত কুমড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ সরদার (৭৫) ও সনি সরদারসহ ৭-৮ জন আহত হন। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ওই দুই এসআইর ওপর চড়াও হন। তাদের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে এবং এএসআই মীর আলমগীরের কাছে থাকা চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু (৭.৬২) এমএম পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

গুরুতর আহত ওই দুই পুলিশ সদস্যকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়ের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বিকালে পার্শ্ববর্তী মাউলি এলাকার একটি পাকা সড়কের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় লুণ্ঠিত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়।

এদিকে পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে কুমড়ি গ্রামসহ আশপাশের এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন