মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রি
jugantor
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রি

   

০৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিত করতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চালু হওয়া ন্যায্যমূল্যে মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের মাধ্যমে গত এক মাসে ২০৪ কোটি ৪৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অপর একটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ৪ মে পর্যন্ত এক মাসে দেশের ৬৪টি জেলায় ৫৩ লাখ ৫ হাজার ২১৬ লিটার দুধ, ২ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার ৬৮১টি ডিম, ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৯১ কেজি গরুর মাংস, ৯৮ হাজার ৭২১ কেজি খাসির মাংস, ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯২ কেজি দেশি, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগি, ৪ হাজার ১২৪ টন মাছ ও ৩ কোটি ৬৬ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৫ টাকার বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বেচা হয়েছে। গত এক মাসে সারা দেশে ১৭ হাজার ৯৫৪টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রির এ কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রি

  
০৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিত করতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চালু হওয়া ন্যায্যমূল্যে মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের মাধ্যমে গত এক মাসে ২০৪ কোটি ৪৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অপর একটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ৪ মে পর্যন্ত এক মাসে দেশের ৬৪টি জেলায় ৫৩ লাখ ৫ হাজার ২১৬ লিটার দুধ, ২ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার ৬৮১টি ডিম, ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৯১ কেজি গরুর মাংস, ৯৮ হাজার ৭২১ কেজি খাসির মাংস, ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯২ কেজি দেশি, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগি, ৪ হাজার ১২৪ টন মাছ ও ৩ কোটি ৬৬ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৫ টাকার বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বেচা হয়েছে। গত এক মাসে সারা দেশে ১৭ হাজার ৯৫৪টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রির এ কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন