কর্মচারীদের বেতন-বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা
jugantor
এক মাস ধরে বন্ধ লঞ্চ
কর্মচারীদের বেতন-বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা

  বরিশাল ব্যুরো  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে এক মাস ধরে বন্ধ লঞ্চ সার্ভিস। চরম বিপাকে পড়েছে নৌ শ্রমিকরা। দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন তারা। এমনকি আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। যদিও মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রণোদনার জন্য সব শ্রমিকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া কোনো কোনো মালিক নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন ভাতা পরিশোধ করছেন।

সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা লঞ্চগুলোর মতোই যেন একমাস ধরে প্রাণহীন বরিশাল আধুনিক লঞ্চঘাট। ৫ এপ্রিল থেকে এখানে কোনো লঞ্চ ভেড়েনি। এমনকি ছেড়ে যায়নি কোনো লঞ্চ। পন্টুনই অলস বসে আছে অর্ধশত লঞ্চ। যদিও এখনও অনেক কর্মচারীই থাকছেন লঞ্চেই। সামনে ঈদ। অথচ কাজ নেই। উপার্জনও বন্ধ। তাই দুশ্চিন্তায় শ্রমিকরা।

লঞ্চমালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, সারা দেশে প্রায় সাতশ’ লঞ্চ চলাচল করে। গেল বছরেও বন্ধ ছিল বেশ কিছুদিন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এবার শ্রমিকদের বোনাস তো দূরের কথা বেতন দিতেই হিমশিম খাচ্ছে বলে জানান তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সুন্দরবন লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, আমরা নিজেস্ব তহবিল থেকে শ্রমিকদের ত্রাণ দিয়েছি। কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ৫০ ভাগ বেতন-ভাতা দিয়েছে। আবার কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করবে। তিনি বলেন, আমরা সব শ্রমিকের আইডি কার্ডসহ তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে প্রেরণ করেছি। দু-এক দিনের মধ্যে শ্রমিকরা প্রণোদনা পাবে বলে আমরা মনে করি।

এক মাস ধরে বন্ধ লঞ্চ

কর্মচারীদের বেতন-বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা

 বরিশাল ব্যুরো 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে এক মাস ধরে বন্ধ লঞ্চ সার্ভিস। চরম বিপাকে পড়েছে নৌ শ্রমিকরা। দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন তারা। এমনকি আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। যদিও মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রণোদনার জন্য সব শ্রমিকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া কোনো কোনো মালিক নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন ভাতা পরিশোধ করছেন।

সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা লঞ্চগুলোর মতোই যেন একমাস ধরে প্রাণহীন বরিশাল আধুনিক লঞ্চঘাট। ৫ এপ্রিল থেকে এখানে কোনো লঞ্চ ভেড়েনি। এমনকি ছেড়ে যায়নি কোনো লঞ্চ। পন্টুনই অলস বসে আছে অর্ধশত লঞ্চ। যদিও এখনও অনেক কর্মচারীই থাকছেন লঞ্চেই। সামনে ঈদ। অথচ কাজ নেই। উপার্জনও বন্ধ। তাই দুশ্চিন্তায় শ্রমিকরা।

লঞ্চমালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, সারা দেশে প্রায় সাতশ’ লঞ্চ চলাচল করে। গেল বছরেও বন্ধ ছিল বেশ কিছুদিন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এবার শ্রমিকদের বোনাস তো দূরের কথা বেতন দিতেই হিমশিম খাচ্ছে বলে জানান তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সুন্দরবন লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, আমরা নিজেস্ব তহবিল থেকে শ্রমিকদের ত্রাণ দিয়েছি। কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ৫০ ভাগ বেতন-ভাতা দিয়েছে। আবার কোনো কোনো লঞ্চ মালিক ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করবে। তিনি বলেন, আমরা সব শ্রমিকের আইডি কার্ডসহ তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে প্রেরণ করেছি। দু-এক দিনের মধ্যে শ্রমিকরা প্রণোদনা পাবে বলে আমরা মনে করি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন