হাইওয়েতে যাত্রী তুলে মারধর করে মুক্তিপণ আদায়
jugantor
হাইওয়েতে যাত্রী তুলে মারধর করে মুক্তিপণ আদায়

  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানিকগঞ্জে হাইওয়েতে বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রী তুলে মারধর করে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে। যারা বিভিন্ন ধরনের প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ভাড়ায় মোটামুটি অবস্থাপন্ন ব্যক্তিদের যাত্রী হিসাবে তুলে নেয়। তারপর সুযোগমতো হাত-পা বেঁধে চালায় অবর্ণনীয় শারীরিক নির্যাতন। পারিবারিক সক্ষমতা অনুযায়ী দাবি করে মুক্তিপণ বা চাঁদা।

কাঙ্ক্ষিত টাকা (চাঁদা) বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ হলে তবেই মুক্তি মেলে ভিকটিমদের। তাদের ফেলে দেওয়া হয় হাইওয়ের কোনো নির্জন স্থানে। সম্প্রতি এমন ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ফারুক হোসেন (৪৩) আসেন মানিকগঞ্জ থানায়। অভিযোগকারী শিক্ষক মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রাজবাড়ী যাওয়ার উদ্দেশে একটি প্রাইভেটকারে উঠেন। উঠার পরপরই পাশের সিটে যাত্রীবেশে থাকা দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বেঁধে মারধর শুরু করে দাবি করে লক্ষাধিক টাকা।

পৃথক দুটি বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের পরই তার মুক্তি মেলে। গাবতলিতে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার অভিযোগ পেয়ে দ্রুত মামলা রুজু করে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতার আসামিরা হলেন-যশোরের অভয়নগরের মৃত মোস্তাহিন শেখের ছেলে মো. আবুল বাশার (৪২), নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার জব্বার শেখের ছেলে মো. আলীম হোসেন শেখ (৩৫) ও পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার ইন্তাজ প্রামাণিকের ছেলে বাবর আলী বাবু (৩২)। প্রত্যেকেই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়াও তাদের হেফাজত থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, লুণ্ঠিত টাকা, স্টিলের পাইপ ও রশি উদ্ধার করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন হাইওয়েতে এ ধরনের অপরাধ করে আসছে।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, অননুমোদিত যানবাহন ও অপরিচিত কারও গাড়িতে ভ্রমণ না করতে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা সাধারণ যাত্রীদের বারবার অনুরোধ করেন।

হাইওয়েতে যাত্রী তুলে মারধর করে মুক্তিপণ আদায়

 মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানিকগঞ্জে হাইওয়েতে বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রী তুলে মারধর করে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে। যারা বিভিন্ন ধরনের প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ভাড়ায় মোটামুটি অবস্থাপন্ন ব্যক্তিদের যাত্রী হিসাবে তুলে নেয়। তারপর সুযোগমতো হাত-পা বেঁধে চালায় অবর্ণনীয় শারীরিক নির্যাতন। পারিবারিক সক্ষমতা অনুযায়ী দাবি করে মুক্তিপণ বা চাঁদা।

কাঙ্ক্ষিত টাকা (চাঁদা) বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ হলে তবেই মুক্তি মেলে ভিকটিমদের। তাদের ফেলে দেওয়া হয় হাইওয়ের কোনো নির্জন স্থানে। সম্প্রতি এমন ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ফারুক হোসেন (৪৩) আসেন মানিকগঞ্জ থানায়। অভিযোগকারী শিক্ষক মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রাজবাড়ী যাওয়ার উদ্দেশে একটি প্রাইভেটকারে উঠেন। উঠার পরপরই পাশের সিটে যাত্রীবেশে থাকা দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বেঁধে মারধর শুরু করে দাবি করে লক্ষাধিক টাকা।

পৃথক দুটি বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের পরই তার মুক্তি মেলে। গাবতলিতে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার অভিযোগ পেয়ে দ্রুত মামলা রুজু করে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতার আসামিরা হলেন-যশোরের অভয়নগরের মৃত মোস্তাহিন শেখের ছেলে মো. আবুল বাশার (৪২), নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার জব্বার শেখের ছেলে মো. আলীম হোসেন শেখ (৩৫) ও পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার ইন্তাজ প্রামাণিকের ছেলে বাবর আলী বাবু (৩২)। প্রত্যেকেই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়াও তাদের হেফাজত থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, লুণ্ঠিত টাকা, স্টিলের পাইপ ও রশি উদ্ধার করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন হাইওয়েতে এ ধরনের অপরাধ করে আসছে।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, অননুমোদিত যানবাহন ও অপরিচিত কারও গাড়িতে ভ্রমণ না করতে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা সাধারণ যাত্রীদের বারবার অনুরোধ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন