কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক জামিল হত্যা পরিকল্পিত দাবি পরিবারের
jugantor
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক জামিল হত্যা পরিকল্পিত দাবি পরিবারের

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বর্ণযুগ পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক ও নিউজ২৪ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জামিল হাসান খান খোকনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। শনিবার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন খোকনের বড় ভাই কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাফিজ আহম্মেদ খান টিটু। তিনি অভিযোগে চারজনকে আসামি করেছেন। থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১২ মে রাতে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, মিলন উল্লাহ, সালমান শাহারিয়ার রাজু এবং রাকিবুল হাসান ১০ থেকে ১২ সহযোগীসহ জামিল হাসান খান খোকনকে হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুরে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লবের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।

সেখানে রাশিদুল ইসলাম বিপ্লব ও মিলনের সঙ্গে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে খোকনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় রাশেদুল।

এ সময় অন্য আসামিরা তাকে চেপে ধরে রাখে। মুহূর্তের মধ্যে খোকন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অচেতন অবস্থায় প্রায় এক ঘণ্টা বিপ্লবের বাসায় তাকে ফেলে রাখে। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ঘটনা ঘটলেও সাড়ে ৯টার দিকে খোকনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাশেদুলের স্ত্রী আফরোজা আক্তার ডিউ রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে খোকনের স্ত্রী কামরুন্নাহার খানকে ফোন করে বলেন, খোকন ভাইয়ের গ্যাস ফর্ম করেছে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পায় অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে খোকন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ১৩ মে রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক জামিল হত্যা পরিকল্পিত দাবি পরিবারের

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বর্ণযুগ পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক ও নিউজ২৪ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জামিল হাসান খান খোকনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। শনিবার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন খোকনের বড় ভাই কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাফিজ আহম্মেদ খান টিটু। তিনি অভিযোগে চারজনকে আসামি করেছেন। থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১২ মে রাতে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, মিলন উল্লাহ, সালমান শাহারিয়ার রাজু এবং রাকিবুল হাসান ১০ থেকে ১২ সহযোগীসহ জামিল হাসান খান খোকনকে হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুরে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লবের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।

সেখানে রাশিদুল ইসলাম বিপ্লব ও মিলনের সঙ্গে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে খোকনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় রাশেদুল।

এ সময় অন্য আসামিরা তাকে চেপে ধরে রাখে। মুহূর্তের মধ্যে খোকন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অচেতন অবস্থায় প্রায় এক ঘণ্টা বিপ্লবের বাসায় তাকে ফেলে রাখে। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ঘটনা ঘটলেও সাড়ে ৯টার দিকে খোকনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাশেদুলের স্ত্রী আফরোজা আক্তার ডিউ রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে খোকনের স্ত্রী কামরুন্নাহার খানকে ফোন করে বলেন, খোকন ভাইয়ের গ্যাস ফর্ম করেছে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পায় অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে খোকন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ১৩ মে রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন