লকডাউনে এক রোহিঙ্গার বাড়িতে ৫ হাজার মানুষের ভূরিভোজ
jugantor
লকডাউনে এক রোহিঙ্গার বাড়িতে ৫ হাজার মানুষের ভূরিভোজ

  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার সংক্রমণ রোধে লকডাউনের (অবরুদ্ধ) মধ্যেও ছেলের খতনা অনুষ্ঠানে পাঁচ হাজার মানুষের ভূরিভোজের আয়োজন করেছে রোহিঙ্গা হাকিম আলী। উখিয়া উপজেলার পূর্ব ডিগলিয়াপালং (চিতলী মোরা) নামক স্থানে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে ভূরিভোজ। পুলিশ ওই বাড়ি গিয়ে নিষেধ করার পরও আয়োজন অব্যাহত রাখে হাকিম। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সোমবার রাতে লক্ষাধিক টাকার আতসবাজিতে গ্রামের মানুষের ঘুম-হারাম করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়রা জানান, সারা দেশে লকডাউনের পাশাপাশি উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডে ১৩ জুন পর্যন্ত রেডজোন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু একজন রোহিঙ্গা হয়ে প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে এত আয়োজন কিভাবে করেন?

সূত্র জানায়, ২০১১ সালে পরিবার-পরিজন নিয়ে মিয়ানমার থেকে এক কাপড়ে পালিয়ে এসে উখিয়া উপজেলার পূর্ব ডিগলিয়াপালং (চিতলী মোরা) নামক স্থানে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গা হাকিম আলী। কিছু দিন যেতে না যেতে জড়িয়ে যান ইয়াবা কারবারে। কোটি টাকার মালিক বনে যান তিনি। এ দেশে আশ্রয়ের সুযোগে স্থানীয় এক গৃহবধূর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে হাকিম আলী। ওই নারীর স্বামী পাকিস্তানে থাকার সুবাধে তাকে বিয়ে করে। অথচ মিয়ানমার থেকে আসার সময় তার স্ত্রী ও তিনটি সন্তান ছিল? তার মধ্যে বড় ছেলে পুতিয়া কিছু দিন আগে রেজু আমতলী বিজিবির হাতে দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক হয়ে জেলহাজতে রয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, লকডাউনে কোনো প্রকার জনসমাগম করার সুযোগ নেই।

বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তাকে বলেছি।

উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ ওই বাড়ির লোকজনকে নিষেধ করে এসেছে।

লকডাউনে এক রোহিঙ্গার বাড়িতে ৫ হাজার মানুষের ভূরিভোজ

 উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার সংক্রমণ রোধে লকডাউনের (অবরুদ্ধ) মধ্যেও ছেলের খতনা অনুষ্ঠানে পাঁচ হাজার মানুষের ভূরিভোজের আয়োজন করেছে রোহিঙ্গা হাকিম আলী। উখিয়া উপজেলার পূর্ব ডিগলিয়াপালং (চিতলী মোরা) নামক স্থানে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে ভূরিভোজ। পুলিশ ওই বাড়ি গিয়ে নিষেধ করার পরও আয়োজন অব্যাহত রাখে হাকিম। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সোমবার রাতে লক্ষাধিক টাকার আতসবাজিতে গ্রামের মানুষের ঘুম-হারাম করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়রা জানান, সারা দেশে লকডাউনের পাশাপাশি উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডে ১৩ জুন পর্যন্ত রেডজোন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু একজন রোহিঙ্গা হয়ে প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে এত আয়োজন কিভাবে করেন?

সূত্র জানায়, ২০১১ সালে পরিবার-পরিজন নিয়ে মিয়ানমার থেকে এক কাপড়ে পালিয়ে এসে উখিয়া উপজেলার পূর্ব ডিগলিয়াপালং (চিতলী মোরা) নামক স্থানে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গা হাকিম আলী। কিছু দিন যেতে না যেতে জড়িয়ে যান ইয়াবা কারবারে। কোটি টাকার মালিক বনে যান তিনি। এ দেশে আশ্রয়ের সুযোগে স্থানীয় এক গৃহবধূর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে হাকিম আলী। ওই নারীর স্বামী পাকিস্তানে থাকার সুবাধে তাকে বিয়ে করে। অথচ মিয়ানমার থেকে আসার সময় তার স্ত্রী ও তিনটি সন্তান ছিল? তার মধ্যে বড় ছেলে পুতিয়া কিছু দিন আগে রেজু আমতলী বিজিবির হাতে দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক হয়ে জেলহাজতে রয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, লকডাউনে কোনো প্রকার জনসমাগম করার সুযোগ নেই।

বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তাকে বলেছি।

উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ ওই বাড়ির লোকজনকে নিষেধ করে এসেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন