প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্বামীকে খুন করে স্ত্রী
jugantor
চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী হত্যা
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্বামীকে খুন করে স্ত্রী

  ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের ভাঙ্গার চরকান্দা গ্রামে পরকীয়ার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্বামী সেকেন্দার আলীকে (৫৫) হত্যা করে স্ত্রী হাফিজা বেগম (৪৫)। এ ঘটনায় বুধবার রাতে প্রেমিক ভুলু মোল্লা ও প্রেমিকা হাফিজা বেগমসহ ৪ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলো চরকান্দা গ্রামের প্রেমিক আতিয়ার রহমান ভুলু (৫৫), তার ছেলে সম্রাট মোল্লা (৩০), হাফিজা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে হোসাইন (২২)। সেকেন্দারকে হত্যার কথা আসামিরা স্বীকার করে বৃহস্পতিবার ৩নং আমলি আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আকরামের আদালতে ১৪৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরকীয়া, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও প্রেমিক ভুলুর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হাফিজা স্বামী সেকেন্দার আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত বছরের ২৫ অক্টোবর রাতে হাফিজা বেগম তার স্বামী সেকেন্দারকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে সেকেন্দারকে হত্যা করে রাগদার বিলে কচুরিপানার নিচে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে আড়াল করতে পরদিন হাফিজা তার স্বামী নিখোঁজ মর্মে ভাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফর রহমান বলেন, চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী হত্যার ঘটনায় মামলা হওয়ায় আমি দারোগা আজাদকে তদন্ত করার নির্দেশ দিই। দীর্ঘ ৮ মাস তদন্তের পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। প্রেমিকা হাফিজা প্রেমিক ভুলুর নির্দেশে সেকেন্দারকে হত্যা করে।

চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী হত্যা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্বামীকে খুন করে স্ত্রী

 ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের ভাঙ্গার চরকান্দা গ্রামে পরকীয়ার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্বামী সেকেন্দার আলীকে (৫৫) হত্যা করে স্ত্রী হাফিজা বেগম (৪৫)। এ ঘটনায় বুধবার রাতে প্রেমিক ভুলু মোল্লা ও প্রেমিকা হাফিজা বেগমসহ ৪ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলো চরকান্দা গ্রামের প্রেমিক আতিয়ার রহমান ভুলু (৫৫), তার ছেলে সম্রাট মোল্লা (৩০), হাফিজা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে হোসাইন (২২)। সেকেন্দারকে হত্যার কথা আসামিরা স্বীকার করে বৃহস্পতিবার ৩নং আমলি আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আকরামের আদালতে ১৪৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরকীয়া, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও প্রেমিক ভুলুর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হাফিজা স্বামী সেকেন্দার আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত বছরের ২৫ অক্টোবর রাতে হাফিজা বেগম তার স্বামী সেকেন্দারকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে সেকেন্দারকে হত্যা করে রাগদার বিলে কচুরিপানার নিচে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে আড়াল করতে পরদিন হাফিজা তার স্বামী নিখোঁজ মর্মে ভাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফর রহমান বলেন, চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী হত্যার ঘটনায় মামলা হওয়ায় আমি দারোগা আজাদকে তদন্ত করার নির্দেশ দিই। দীর্ঘ ৮ মাস তদন্তের পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। প্রেমিকা হাফিজা প্রেমিক ভুলুর নির্দেশে সেকেন্দারকে হত্যা করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন