৪০ দিন পর আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
jugantor
বেনাপোল স্থলবন্দর
৪০ দিন পর আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

  বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৪০ দিন পর আবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ঢাকার আমদানিকারক জুবায়ের ইন্টারন্যাশনাল বুধবার রাতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩০ টন ও যশোরের দ্বীন ইসলাম ট্রেডার্স ৪৫ দশমিক ৮ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। প্রতি টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে ১২৩ মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার সকালে পেঁয়াজের চালানগুলো খালাশ হয়েছে বন্দর থেকে। উৎপাদন সংকট দেখিয়ে ৩০ এপ্রিল থেকে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। কোটি কোটি টাকার এলসি খোলা থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের কেনা পেঁয়াজ ওপারে রপ্তানিকারকের কাছে আটকা পড়ে যায়।

বেনাপোল কাস্টমস কর্গো শাখার আরও স্বপন কুমার জানান, ভারত থেকে ৭৫ দশমিক ৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। পণ্য ছাড় করাতে ব্যবসায়ীদের আমদানি মূল্যের ওপর ৫% হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আমদানিকারকরা সহযোগিতা করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সেজুতি এন্টারপ্রাইজ। বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন জানান, পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের মূল্য কেজিপ্রতি কমেছে ১০-১৫ টাকা। গত তিনদিন আগে বাজারে পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ছিল ৫৫ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে বাজারমূল্য আরও কমে আসবে বলে জানান তিনি।

আমদানিকৃত পেঁয়াজ বন্দর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতি কেজি ৩৫-৩৬ টাকার মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকার মধ্যে আর খুচরা বাজারে ৪০ টাকা। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, আমদানি করা পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করতে পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর

৪০ দিন পর আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

 বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৪০ দিন পর আবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ঢাকার আমদানিকারক জুবায়ের ইন্টারন্যাশনাল বুধবার রাতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩০ টন ও যশোরের দ্বীন ইসলাম ট্রেডার্স ৪৫ দশমিক ৮ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। প্রতি টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে ১২৩ মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার সকালে পেঁয়াজের চালানগুলো খালাশ হয়েছে বন্দর থেকে। উৎপাদন সংকট দেখিয়ে ৩০ এপ্রিল থেকে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। কোটি কোটি টাকার এলসি খোলা থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের কেনা পেঁয়াজ ওপারে রপ্তানিকারকের কাছে আটকা পড়ে যায়।

বেনাপোল কাস্টমস কর্গো শাখার আরও স্বপন কুমার জানান, ভারত থেকে ৭৫ দশমিক ৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। পণ্য ছাড় করাতে ব্যবসায়ীদের আমদানি মূল্যের ওপর ৫% হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আমদানিকারকরা সহযোগিতা করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সেজুতি এন্টারপ্রাইজ। বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন জানান, পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের মূল্য কেজিপ্রতি কমেছে ১০-১৫ টাকা। গত তিনদিন আগে বাজারে পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ছিল ৫৫ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে বাজারমূল্য আরও কমে আসবে বলে জানান তিনি।

আমদানিকৃত পেঁয়াজ বন্দর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতি কেজি ৩৫-৩৬ টাকার মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকার মধ্যে আর খুচরা বাজারে ৪০ টাকা। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, আমদানি করা পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করতে পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন