দিনাজপুর কারাগারে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
jugantor
দিনাজপুর কারাগারে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
রংপুর থেকে আনা হয় আসামি * জল্লাদ আনা হয় রাজশাহী থেকে

  দিনাজপুর ও বীরগঞ্জ প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুর জেলা কারাগার প্রতিষ্ঠার ১৬৭ বছরে এই প্রথম ফাঁসির মঞ্চে বুধবার রাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে এক আসামির। স্ত্রী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এ আসামির নাম আব্দুল হক। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের মৃত আছিরউদ্দীনের ছেলে। দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরিদুর রহমান রুবেল জানান, আব্দুল হক ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে রংপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন। গত বছর ১৮ মে রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রংপুর কারাগারে আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় গত ২৩ মে তাকে এ কারাগারে আনা হয়। জল্লাদ হিসাবে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আনা হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ওহিদুর রহমানকে। আব্দুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য বুধবার বিকালে তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুরের ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, দিনাজপুর জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ, চিকিৎসক প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জেলা কারাগারের কর্মকর্তারা। ফাঁসি কার্যকরের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ২টায় লাশ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জেলার ফরিদুর জানান, ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত দিনাজপুর কারাগারটি ২০১৭ সালে আধুনিকায়ন করা হয়। সে সময় তৈরি করা হয় আধুনিক ফাঁসির মঞ্চ।

দিনাজপুর কারাগারে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

রংপুর থেকে আনা হয় আসামি * জল্লাদ আনা হয় রাজশাহী থেকে
 দিনাজপুর ও বীরগঞ্জ প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুর জেলা কারাগার প্রতিষ্ঠার ১৬৭ বছরে এই প্রথম ফাঁসির মঞ্চে বুধবার রাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে এক আসামির। স্ত্রী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এ আসামির নাম আব্দুল হক। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের মৃত আছিরউদ্দীনের ছেলে। দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরিদুর রহমান রুবেল জানান, আব্দুল হক ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে রংপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন। গত বছর ১৮ মে রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রংপুর কারাগারে আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় গত ২৩ মে তাকে এ কারাগারে আনা হয়। জল্লাদ হিসাবে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আনা হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ওহিদুর রহমানকে। আব্দুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য বুধবার বিকালে তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুরের ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, দিনাজপুর জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ, চিকিৎসক প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জেলা কারাগারের কর্মকর্তারা। ফাঁসি কার্যকরের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ২টায় লাশ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জেলার ফরিদুর জানান, ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত দিনাজপুর কারাগারটি ২০১৭ সালে আধুনিকায়ন করা হয়। সে সময় তৈরি করা হয় আধুনিক ফাঁসির মঞ্চ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন