ধামরাইয়ে প্রেমিকা নিয়ে টানাটানি, আহত ২০
jugantor
ধামরাইয়ে প্রেমিকা নিয়ে টানাটানি, আহত ২০
হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ২

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে এক প্রেমিকাকে নিয়ে দুই প্রেমিকের টানাটানির জেরে সৃষ্ট ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। তার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। শনিবার উপজেলার কুল্লা ও রোয়াইল ইউনিয়ন এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন সকাল ১০টায় উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের পূর্বচর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার মোতাহার হোসেন (২১) ও কুল্লা ইউনিয়নের নদীরচর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার মানোয়ার হোসেন এক প্রেমিকাকে নিয়ে কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হয়। সময় যত গড়ায়, দুই গ্রুপে জনবলও বাড়তে থাকে।

এলাকাবাসী সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করলে একটি পক্ষ তাদের ওপরও হামলা করে। ফলে এ ঘটনা ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহত হয় ২০ জন। তাদের মধ্যে মোতাহার হোসেন ও মো. খোপন মিয়া গুরুতর জখম হয়। তাদের সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তারা লাইফ সাপোর্টে আছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় পালটাপালটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এলাকাবাসী জানায়, দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে কিশোর গ্যাং সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা মাদকদ্রব্য বিক্রি, সেবন, নারী নিয়ে ফুর্তি, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

ধামরাইয়ে প্রেমিকা নিয়ে টানাটানি, আহত ২০

হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ২
 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে এক প্রেমিকাকে নিয়ে দুই প্রেমিকের টানাটানির জেরে সৃষ্ট ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। তার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। শনিবার উপজেলার কুল্লা ও রোয়াইল ইউনিয়ন এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন সকাল ১০টায় উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের পূর্বচর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার মোতাহার হোসেন (২১) ও কুল্লা ইউনিয়নের নদীরচর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার মানোয়ার হোসেন এক প্রেমিকাকে নিয়ে কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হয়। সময় যত গড়ায়, দুই গ্রুপে জনবলও বাড়তে থাকে।

এলাকাবাসী সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করলে একটি পক্ষ তাদের ওপরও হামলা করে। ফলে এ ঘটনা ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহত হয় ২০ জন। তাদের মধ্যে মোতাহার হোসেন ও মো. খোপন মিয়া গুরুতর জখম হয়। তাদের সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তারা লাইফ সাপোর্টে আছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় পালটাপালটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এলাকাবাসী জানায়, দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে কিশোর গ্যাং সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা মাদকদ্রব্য বিক্রি, সেবন, নারী নিয়ে ফুর্তি, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন