নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ
jugantor
চুয়াডাঙ্গায় সন্তান বিক্রির অভিযোগ
নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গায় দেড় লাখ টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শেষমেশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রাম থেকে রোববার রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি বর্তমানে জেলা শহরের উপশম নার্সিং হোমে তার মায়ের কাছে রয়েছে।

জানা গেছে, দামুড়হুদার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া এক নারী শনিবার প্রসব বেদনা নিয়ে জেলা শহরের উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি হন। ওইদিন বিকালে তিনি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। রাতে গোপালপুর গ্রামের রিপন আলী ও তার স্ত্রী লিপা নার্সিং হোম থেকে নবজাতককে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। রোববার বিকালে গুঞ্জন ওঠে উপশম নার্সিং হোম থেকে দেড় লাখ টাকায় নবজাতক কিনেছেন তারা। এমনকি দুই লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও শোনা যায়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই গোপাল চন্দ্র মণ্ডল ফোর্স নিয়ে ওই ক্লিনিকে গিয়ে খোঁজখবর নেন। পরে রোববার রাত ৯টার দিকে গোপালপুর গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রিপন-লিপা দম্পতিকে থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় সন্তান দত্তক নেওয়ার পরামর্শ দেয় পুলিশ।

এই দম্পতি জানায়, দীর্ঘ ১২ বছর দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তারা খবর পান পাশের গ্রামের এক নারী অন্তঃসত্ত্বা। সন্তানের ভরণপোষণ করার ক্ষমতাও নেই। তাই ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সন্তান দত্তক দিতে রাজি হন।

প্রসূতি ওই নারী জানান, তিনি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং তাদের আগ্রহ দেখে তার সন্তানকে দত্তক দিতে রাজি হন। তার কাছে থাকার চেয়ে তাদের কাছে থাকলে তার সন্তান ভালো থাকবে।

সদর থানার ওসি আবু জিহা খান বলেন, রিপন ও লিপা দম্পতিকে থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবে বা টাকা-পয়সার মাধ্যমে সন্তান দত্তক নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।

চুয়াডাঙ্গায় সন্তান বিক্রির অভিযোগ

নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গায় দেড় লাখ টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শেষমেশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রাম থেকে রোববার রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি বর্তমানে জেলা শহরের উপশম নার্সিং হোমে তার মায়ের কাছে রয়েছে।

জানা গেছে, দামুড়হুদার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া এক নারী শনিবার প্রসব বেদনা নিয়ে জেলা শহরের উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি হন। ওইদিন বিকালে তিনি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। রাতে গোপালপুর গ্রামের রিপন আলী ও তার স্ত্রী লিপা নার্সিং হোম থেকে নবজাতককে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। রোববার বিকালে গুঞ্জন ওঠে উপশম নার্সিং হোম থেকে দেড় লাখ টাকায় নবজাতক কিনেছেন তারা। এমনকি দুই লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও শোনা যায়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই গোপাল চন্দ্র মণ্ডল ফোর্স নিয়ে ওই ক্লিনিকে গিয়ে খোঁজখবর নেন। পরে রোববার রাত ৯টার দিকে গোপালপুর গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রিপন-লিপা দম্পতিকে থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় সন্তান দত্তক নেওয়ার পরামর্শ দেয় পুলিশ।

এই দম্পতি জানায়, দীর্ঘ ১২ বছর দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তারা খবর পান পাশের গ্রামের এক নারী অন্তঃসত্ত্বা। সন্তানের ভরণপোষণ করার ক্ষমতাও নেই। তাই ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সন্তান দত্তক দিতে রাজি হন।

প্রসূতি ওই নারী জানান, তিনি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং তাদের আগ্রহ দেখে তার সন্তানকে দত্তক দিতে রাজি হন। তার কাছে থাকার চেয়ে তাদের কাছে থাকলে তার সন্তান ভালো থাকবে।

সদর থানার ওসি আবু জিহা খান বলেন, রিপন ও লিপা দম্পতিকে থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবে বা টাকা-পয়সার মাধ্যমে সন্তান দত্তক নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন