ময়মনসিংহে পুলিশ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, গুলি লাঠিচার্জ
jugantor
ময়মনসিংহে পুলিশ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, গুলি লাঠিচার্জ
পুলিশসহ আহত ২৬

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে সভাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের পালটাপালটি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা নগরীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৮ জনকে আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে ২০টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, করোনাকালীন সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা ও মহানগর ছাত্রদল চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আলোচনাসভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পুলিশ সভাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ২৯ রাউন্ড গুলি ও ১০টি টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের আটজনকে আটক এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি মাজেদুল ইসলাম রুমন জানান, ময়মনসিংহ মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাকৃবি ছাত্রদলের উদ্যোগে শম্ভুগঞ্জের একটি মাদ্রাসা মাঠে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। মহানগরের বাইরে সভার জন্য অনুমতি ছিল। অথচ পুলিশ বিনা উসকানিতে এতে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে তা পণ্ড করে দেয়। পুলিশের হামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ আহত হয়েছেন ২০ জন। পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান জানান, কোভিড নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ছাত্রদল নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়িতে সমাবেশ করছিল। সেখানে ৪/৫শ জনের জমায়েত ছিল। করোনাকালীন সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

ময়মনসিংহে পুলিশ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, গুলি লাঠিচার্জ

পুলিশসহ আহত ২৬
 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে সভাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের পালটাপালটি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা নগরীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৮ জনকে আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে ২০টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, করোনাকালীন সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা ও মহানগর ছাত্রদল চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আলোচনাসভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পুলিশ সভাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ২৯ রাউন্ড গুলি ও ১০টি টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের আটজনকে আটক এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি মাজেদুল ইসলাম রুমন জানান, ময়মনসিংহ মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাকৃবি ছাত্রদলের উদ্যোগে শম্ভুগঞ্জের একটি মাদ্রাসা মাঠে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। মহানগরের বাইরে সভার জন্য অনুমতি ছিল। অথচ পুলিশ বিনা উসকানিতে এতে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে তা পণ্ড করে দেয়। পুলিশের হামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ আহত হয়েছেন ২০ জন। পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান জানান, কোভিড নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ছাত্রদল নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়িতে সমাবেশ করছিল। সেখানে ৪/৫শ জনের জমায়েত ছিল। করোনাকালীন সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন