অটোপাশ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে: জিএম কাদের
jugantor
অটোপাশ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে: জিএম কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদক  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কা?দের এমপি বলেছেন, অটোপাশ আর অটোপ্রমোশন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে।

জ্ঞান অর্জনের ধারায় কোনো শর্টকাট পদ্ধতি নেই। সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষা আমাদের মূর্খ জাতিতে পরিণত করবে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, করোনার কারণে এক বছর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ হাট-বাজার, অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা সবই খুলে দেওয়া হয়েছে, সব কিছুই স্বাভাবিক ভাবে চলছে। কিন্তু করোনার দোহাই দিয়ে বর্ধিত করা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

এর চেয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কিছু হতে পারে না। তিনি বলেন, অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার পাঠদানের কিছু উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়। তবে তাদের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য ও সে ব্যবস্থার সুবিধা শুধু উচ্চবিত্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। তাছাড়া সেখানে যথাযথ শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয় না। একই সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণে ক্ষুদ্র অংশের সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর সঙ্গে দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।

জিএম কাদের বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা জ্ঞান চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে, শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে আগামী প্রজন্ম। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী করোনাকালে গত ১৫ মাসে ১৫১ জন শিক্ষার্থী মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়। তাই, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাত্র ও শিক্ষকদের করোনার টিকা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে হবে।

অটোপাশ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে: জিএম কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদক 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কা?দের এমপি বলেছেন, অটোপাশ আর অটোপ্রমোশন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে।

জ্ঞান অর্জনের ধারায় কোনো শর্টকাট পদ্ধতি নেই। সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষা আমাদের মূর্খ জাতিতে পরিণত করবে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, করোনার কারণে এক বছর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ হাট-বাজার, অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা সবই খুলে দেওয়া হয়েছে, সব কিছুই স্বাভাবিক ভাবে চলছে। কিন্তু করোনার দোহাই দিয়ে বর্ধিত করা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

এর চেয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কিছু হতে পারে না। তিনি বলেন, অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার পাঠদানের কিছু উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়। তবে তাদের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য ও সে ব্যবস্থার সুবিধা শুধু উচ্চবিত্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। তাছাড়া সেখানে যথাযথ শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয় না। একই সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণে ক্ষুদ্র অংশের সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর সঙ্গে দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।

জিএম কাদের বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা জ্ঞান চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে, শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে আগামী প্রজন্ম। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী করোনাকালে গত ১৫ মাসে ১৫১ জন শিক্ষার্থী মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়। তাই, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাত্র ও শিক্ষকদের করোনার টিকা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন