না.গঞ্জে মেলেনি ৩ হাসপাতাল নির্মাণে জমি
jugantor
না.গঞ্জে মেলেনি ৩ হাসপাতাল নির্মাণে জমি

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও আড়াইহাজারে তিনটি ২০ শয্যার হাসপাতাল খাতা কলমে থাকলেও বাস্তবে অস্তিত্ব নেই সেগুলোর। ২০০৭ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ হাসপাতাল তিনটির অনুমোদন দিলেও গত ১৪ বছরে সেগুলো নির্মাণে কোনো সরকারি জায়গা অধিগ্রহণ করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। অথচ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকায় নাম থাকায় অদৃশ্য ওই হাসপাতালগুলোর নামে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ১৪ বছর ধরে। অদৃশ্য এ তিনটি হাসপাতাল ঠিক কবে নাগাদ নির্মাণ হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা এমন প্রশ্নেরও সঠিক জবাব নেই স্বাস্থ্য বিভাগ কিংবা জেলা প্রশাসন কারও কাছেই।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, হাসপাতালের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি পুরোপুরি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের দায়িত্ব।

আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে জায়গার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তার কোনো চিঠি আমরা পেয়েছি বলে মনে হয় না।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে যেখানে বর্তমান সরকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর, সেখানে হাসপাতাল নির্মাণ সরকারি জমির জন্য আটকে থাকবে এটা মানা যায় না। জমি অধিগ্রহণে কোনো জটিলতা থাকলে সেগুলো আমরা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করব। তিনি জানান, সিভিল সার্জনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলব। বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

না.গঞ্জে মেলেনি ৩ হাসপাতাল নির্মাণে জমি

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও আড়াইহাজারে তিনটি ২০ শয্যার হাসপাতাল খাতা কলমে থাকলেও বাস্তবে অস্তিত্ব নেই সেগুলোর। ২০০৭ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ হাসপাতাল তিনটির অনুমোদন দিলেও গত ১৪ বছরে সেগুলো নির্মাণে কোনো সরকারি জায়গা অধিগ্রহণ করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। অথচ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকায় নাম থাকায় অদৃশ্য ওই হাসপাতালগুলোর নামে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ১৪ বছর ধরে। অদৃশ্য এ তিনটি হাসপাতাল ঠিক কবে নাগাদ নির্মাণ হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা এমন প্রশ্নেরও সঠিক জবাব নেই স্বাস্থ্য বিভাগ কিংবা জেলা প্রশাসন কারও কাছেই।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, হাসপাতালের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি পুরোপুরি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের দায়িত্ব।

আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে জায়গার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তার কোনো চিঠি আমরা পেয়েছি বলে মনে হয় না।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে যেখানে বর্তমান সরকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর, সেখানে হাসপাতাল নির্মাণ সরকারি জমির জন্য আটকে থাকবে এটা মানা যায় না। জমি অধিগ্রহণে কোনো জটিলতা থাকলে সেগুলো আমরা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করব। তিনি জানান, সিভিল সার্জনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলব। বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন