অন্যকে ফাঁসাতে থানায় গিয়ে ধরা যুবক
jugantor
অন্যকে ফাঁসাতে থানায় গিয়ে ধরা যুবক

  মিরপুর প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্লবীতে শুক্রবার রাতে মিথ্যা অভিযোগে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা পড়েন আব্দুল জলিল নামে এক যুবক। তিনি মাথায় ব্যান্ডেজ পরা অবস্থায় থানায় গিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে পুলিশের কাছে তার প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পল্লবী থানার ওসি তার পেজে ওই যুবকের ভিডিও পোস্ট করে একটি স্ট্যাটাসও দেন।

সূত্র জানায়, আব্দুল জলিল শুক্রবার সকালে পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি এতে উল্লেখ করেন বৃহস্পতিবার বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় তার ২৭০০ টাকা ছিনতাই করে অজ্ঞাত ২ ব্যক্তি। অভিযোগের তদন্তভার দেওয়া হয় থানার এসআই সজিব খানকে। একইদিন ২ ছিনতাইকারীকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে আসেন এসআই সজিব। তখন জলিল তাদের কাছে ৭০০ টাকা পান বলে মিথ্যা অভিযোগ করেন। শুক্রবার রাতে অভিযোগকারী জলিলকে ওসি পারভেজ ইসলামের কক্ষে ডেকে পাঠানো হয়। এ সময় তার মাথায় ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল। তার কথাবার্তার ধরন অস্বাভাবিক ও অসংলগ্ন মনে হলে পুলিশের সন্দেহ হয়। এসআই সজিব অভিযোগকারীর মাথার ব্যান্ডেজ খুলে ফেলেন। এতে উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে যান। পাশাপাশি চারদিকে হাসির রোল পড়ে। তার মাথায় আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। ব্যান্ডেজে রং মাখানো ছিল। সঙ্গে সঙ্গে জলিলের প্রতারণা ধরা পড়ে। অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে জলিল নিজেই ফেঁসে যান।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম বলেন, জলিল প্রতারণা করে ধরা পড়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি। তাকে পেন্ডিং মামলায় চালান দেওয়া হয়েছে।

অন্যকে ফাঁসাতে থানায় গিয়ে ধরা যুবক

 মিরপুর প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্লবীতে শুক্রবার রাতে মিথ্যা অভিযোগে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা পড়েন আব্দুল জলিল নামে এক যুবক। তিনি মাথায় ব্যান্ডেজ পরা অবস্থায় থানায় গিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে পুলিশের কাছে তার প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পল্লবী থানার ওসি তার পেজে ওই যুবকের ভিডিও পোস্ট করে একটি স্ট্যাটাসও দেন।

সূত্র জানায়, আব্দুল জলিল শুক্রবার সকালে পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি এতে উল্লেখ করেন বৃহস্পতিবার বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় তার ২৭০০ টাকা ছিনতাই করে অজ্ঞাত ২ ব্যক্তি। অভিযোগের তদন্তভার দেওয়া হয় থানার এসআই সজিব খানকে। একইদিন ২ ছিনতাইকারীকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে আসেন এসআই সজিব। তখন জলিল তাদের কাছে ৭০০ টাকা পান বলে মিথ্যা অভিযোগ করেন। শুক্রবার রাতে অভিযোগকারী জলিলকে ওসি পারভেজ ইসলামের কক্ষে ডেকে পাঠানো হয়। এ সময় তার মাথায় ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল। তার কথাবার্তার ধরন অস্বাভাবিক ও অসংলগ্ন মনে হলে পুলিশের সন্দেহ হয়। এসআই সজিব অভিযোগকারীর মাথার ব্যান্ডেজ খুলে ফেলেন। এতে উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে যান। পাশাপাশি চারদিকে হাসির রোল পড়ে। তার মাথায় আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। ব্যান্ডেজে রং মাখানো ছিল। সঙ্গে সঙ্গে জলিলের প্রতারণা ধরা পড়ে। অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে জলিল নিজেই ফেঁসে যান।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম বলেন, জলিল প্রতারণা করে ধরা পড়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি। তাকে পেন্ডিং মামলায় চালান দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন