কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো সাপ
jugantor
বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব ফাঁকি
কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো সাপ

  বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেনাপোল বন্দরে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আরও ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদ্ঘাটিত হয়েছে। আঙ্গুর, টমেটো ও আনার আমদানিতে ২৮০টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে এ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়। এতে রয়েল এন্টারপ্রাইজ জড়িত। বেনাপোল কাস্টমের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাস্টম সূত্র জানায়, সাধারনত পচনশীল পণ্য চালান সন্ধ্যার পর বন্দরে প্রবেশ করে থাকে। রাতেই কাস্টম কর্মকর্তারা ওয়েইং স্কেলে এসব পণ্য চালান ওজন করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করে থাকে। পরীক্ষার সময় প্রতিটি চালানে ১/২ টন করে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পণ্যের ডিউটি পরের দিন সকালে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা সরকারি ট্রেজারি ব্যাংকে জমা দিয়ে থাকেন। কিন্তু রয়েল এন্টারপ্রাইজ এসব পণ্যের ২৮০টি বিল অব এন্ট্রির রাজস্ব জমা না দিয়ে প্রতারণা করে আসছে। কাস্টম কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে একাধিকবার রয়েল এন্টারপ্রাইজকে টাকা জমা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল নোটিশের তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে আঙ্গুর, টমেটো ও আনার খালাশ করে আসছেন। বুধবার সকালে ৬ জন আমদানিকারকের বিন নাম্বার লক করে দিয়েছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে রয়েল এন্টারপ্রাইজের নামে ফৌজদারি মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জালিয়াতি করে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে মঙ্গলবার রয়েল এন্টারপ্রাইজের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিল করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টম সূত্র জানায়, শনিবার বন্ধের দিন ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক আঙ্গুর, টমেটো ও আনার আমদানি করা হয়। পণ্য চালান খালাশের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েল এন্টারপ্রাইজ। কাস্টম কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে ৩৯ ট্রাক আঙ্গুর, টমেটো ও আনার বন্দর থেকে বের করে নিয়ে যায়। জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল বলেন, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় আমার প্রতিষ্ঠান জড়িত নয়। আমদানিকারকের কাছে ওই টাকা বকেয়া রয়েছে। বকেয়া রাজস্ব আদায় করে দেওয়ার চেষ্টা করছি। বেনাপোল কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বলেন, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আরও ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়েছে। রয়েল এন্টারপ্রাইজের কাছে রাজস্ব বকেয়া পড়ে আছে। এ কারণে বেশ কয়েকজন আমদানিকারকের বিন লক করা হয়েছে। পরবর্তীতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব ফাঁকি

কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো সাপ

 বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেনাপোল বন্দরে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আরও ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদ্ঘাটিত হয়েছে। আঙ্গুর, টমেটো ও আনার আমদানিতে ২৮০টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে এ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়। এতে রয়েল এন্টারপ্রাইজ জড়িত। বেনাপোল কাস্টমের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাস্টম সূত্র জানায়, সাধারনত পচনশীল পণ্য চালান সন্ধ্যার পর বন্দরে প্রবেশ করে থাকে। রাতেই কাস্টম কর্মকর্তারা ওয়েইং স্কেলে এসব পণ্য চালান ওজন করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করে থাকে। পরীক্ষার সময় প্রতিটি চালানে ১/২ টন করে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পণ্যের ডিউটি পরের দিন সকালে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা সরকারি ট্রেজারি ব্যাংকে জমা দিয়ে থাকেন। কিন্তু রয়েল এন্টারপ্রাইজ এসব পণ্যের ২৮০টি বিল অব এন্ট্রির রাজস্ব জমা না দিয়ে প্রতারণা করে আসছে। কাস্টম কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে একাধিকবার রয়েল এন্টারপ্রাইজকে টাকা জমা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল নোটিশের তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে আঙ্গুর, টমেটো ও আনার খালাশ করে আসছেন। বুধবার সকালে ৬ জন আমদানিকারকের বিন নাম্বার লক করে দিয়েছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে রয়েল এন্টারপ্রাইজের নামে ফৌজদারি মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জালিয়াতি করে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে মঙ্গলবার রয়েল এন্টারপ্রাইজের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিল করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টম সূত্র জানায়, শনিবার বন্ধের দিন ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক আঙ্গুর, টমেটো ও আনার আমদানি করা হয়। পণ্য চালান খালাশের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েল এন্টারপ্রাইজ। কাস্টম কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে ৩৯ ট্রাক আঙ্গুর, টমেটো ও আনার বন্দর থেকে বের করে নিয়ে যায়। জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল বলেন, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় আমার প্রতিষ্ঠান জড়িত নয়। আমদানিকারকের কাছে ওই টাকা বকেয়া রয়েছে। বকেয়া রাজস্ব আদায় করে দেওয়ার চেষ্টা করছি। বেনাপোল কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বলেন, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আরও ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়েছে। রয়েল এন্টারপ্রাইজের কাছে রাজস্ব বকেয়া পড়ে আছে। এ কারণে বেশ কয়েকজন আমদানিকারকের বিন লক করা হয়েছে। পরবর্তীতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন