পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ
jugantor
চট্টগ্রামে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত নারী
পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

৩০ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরমাইকোসিস সংকমণ ধরা পড়েছে। বিষয়টি বুধবার জানাজানি হলেও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বৃহস্পতিবার এটি নিশ্চিত করেছে চিকিৎসকরা। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

বিকল্প ওষুধের মাধ্যমে চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা। পরিবার সূত্র জানায়, ২৫ জুন জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর ৩ জুলাই কোভিড-১৯ পজিটিভ হন ষাটোর্ধ্ব ওই নারী। এরপর ১৫ জুলাই কোভিড নেগেটিভ হলেও তার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। চার দিন আগে পুনরায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে পাঁচ দিন আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ওই নারীর স্বামী মারা যান। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত নারীর ছেলে বলেন, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন তার মা। কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পর প্রথমে তার দাঁতব্যথা হয়। এরপর মুখ ফুলে যায়। পরে চোখ ও চোখের আশপাশের জায়গায় লালচে কালো হয়ে যায়। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে সিটি স্ক্যান করতে দেন। এরপর রিপোর্ট পেয়ে মিউকোরমাইকোসিসে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হয়। ২৪ জুলাই তার মাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুজত পাল যুগান্তরকে বলেন, এক নারীর ফাংগাল ইনফেকশন হয়েছে। মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত বলে নিশ্চত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ বলেন, আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত নারীর চিকিৎসা চলছে। তবে যে ইনজেকশনটা প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত বিকল্প ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই নারীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অস্ত্রোপচার লাগবে। ওই নারীর পরিবারের সম্মতি পেলে নাক, মুখ ও চোখে এই অস্ত্রোপচার হবে, যাতে পুনরায় নতুন জায়গায় ফাঙ্গাস না ছড়ায়।

চট্টগ্রামে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত নারী

পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
৩০ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরমাইকোসিস সংকমণ ধরা পড়েছে। বিষয়টি বুধবার জানাজানি হলেও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বৃহস্পতিবার এটি নিশ্চিত করেছে চিকিৎসকরা। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

বিকল্প ওষুধের মাধ্যমে চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা। পরিবার সূত্র জানায়, ২৫ জুন জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর ৩ জুলাই কোভিড-১৯ পজিটিভ হন ষাটোর্ধ্ব ওই নারী। এরপর ১৫ জুলাই কোভিড নেগেটিভ হলেও তার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। চার দিন আগে পুনরায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে পাঁচ দিন আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ওই নারীর স্বামী মারা যান। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত নারীর ছেলে বলেন, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন তার মা। কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পর প্রথমে তার দাঁতব্যথা হয়। এরপর মুখ ফুলে যায়। পরে চোখ ও চোখের আশপাশের জায়গায় লালচে কালো হয়ে যায়। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে সিটি স্ক্যান করতে দেন। এরপর রিপোর্ট পেয়ে মিউকোরমাইকোসিসে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হয়। ২৪ জুলাই তার মাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুজত পাল যুগান্তরকে বলেন, এক নারীর ফাংগাল ইনফেকশন হয়েছে। মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত বলে নিশ্চত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ বলেন, আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত নারীর চিকিৎসা চলছে। তবে যে ইনজেকশনটা প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত বিকল্প ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই নারীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অস্ত্রোপচার লাগবে। ওই নারীর পরিবারের সম্মতি পেলে নাক, মুখ ও চোখে এই অস্ত্রোপচার হবে, যাতে পুনরায় নতুন জায়গায় ফাঙ্গাস না ছড়ায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন