গর্ভের সন্তানের পর করোনা আক্রান্ত মায়ের মৃত্যু
jugantor
গর্ভের সন্তানের পর করোনা আক্রান্ত মায়ের মৃত্যু

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

৩১ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গর্ভের সন্তানের পর করোনা আক্রান্ত মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে শুক্রবার দুপুরে মারা যান মা রহিমা খাতুন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মৃত সন্তান প্রসব করেন তিনি। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা রহিমার এক সপ্তাহ আগে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রহিমা খাতুনের স্বামী আশরাফুল আলম মৌসুমী ব্যবসায়ী। রহিমা মিরপুর উপজেলার হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

রহিমার স্বামী আশরাফুল আলম জানান, ২০ জুলাই জ্বরসহ করোনার কিছু উপসর্গ দেখা দেয় রহিমার শরীরে। ২৩ জুলাই তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। নমুনা দেওয়ার পর পজিটিভ শনাক্ত হলে তাকে দ্রুত ওয়ার্ডে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়। বেশির ভাগ সময়ই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হয়েছে। হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার রাতে দায়িত্বরত ছিলেন চিকিৎসক মো. আবদুল্লাহ। তিনি জানান, রাত ১০টার দিকে হঠাৎ রহিমা খাতুন পেটে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে গাইনি চিকিৎসক সুস্মিতা পাল ও মনোরমা সরকারকে জানানো হয়। ব্যথা তীব্র হলে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

তাৎক্ষণিকভাবে নার্স ও আয়ারা ওয়ার্ডের ভেতর কাপড় দিয়ে ঘিরে তার প্রসব করানোর চেষ্টা করা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত পুত্রসন্তান প্রসব করেন রহিমা। হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত অপর চিকিৎসক তাসমিনা তাবাসসুম বলেন, করোনায় আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা দেওয়া একটু কঠিন। প্রসূতির শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা শুক্রবার সকালে ৫৫ থেকে ৬০ এ ওঠানামা করছিল। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।

গর্ভের সন্তানের পর করোনা আক্রান্ত মায়ের মৃত্যু

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গর্ভের সন্তানের পর করোনা আক্রান্ত মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে শুক্রবার দুপুরে মারা যান মা রহিমা খাতুন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মৃত সন্তান প্রসব করেন তিনি। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা রহিমার এক সপ্তাহ আগে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রহিমা খাতুনের স্বামী আশরাফুল আলম মৌসুমী ব্যবসায়ী। রহিমা মিরপুর উপজেলার হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

রহিমার স্বামী আশরাফুল আলম জানান, ২০ জুলাই জ্বরসহ করোনার কিছু উপসর্গ দেখা দেয় রহিমার শরীরে। ২৩ জুলাই তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। নমুনা দেওয়ার পর পজিটিভ শনাক্ত হলে তাকে দ্রুত ওয়ার্ডে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়। বেশির ভাগ সময়ই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হয়েছে। হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার রাতে দায়িত্বরত ছিলেন চিকিৎসক মো. আবদুল্লাহ। তিনি জানান, রাত ১০টার দিকে হঠাৎ রহিমা খাতুন পেটে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে গাইনি চিকিৎসক সুস্মিতা পাল ও মনোরমা সরকারকে জানানো হয়। ব্যথা তীব্র হলে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

তাৎক্ষণিকভাবে নার্স ও আয়ারা ওয়ার্ডের ভেতর কাপড় দিয়ে ঘিরে তার প্রসব করানোর চেষ্টা করা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত পুত্রসন্তান প্রসব করেন রহিমা। হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত অপর চিকিৎসক তাসমিনা তাবাসসুম বলেন, করোনায় আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা দেওয়া একটু কঠিন। প্রসূতির শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা শুক্রবার সকালে ৫৫ থেকে ৬০ এ ওঠানামা করছিল। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন