আ.লীগ নেতা হত্যায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
আ.লীগ নেতা হত্যায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  বগুড়া ব্যুরো  

৩১ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রকিকে (৩৭) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই রুকু ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানায় এ মামলা করেন। আসামিরা হলেন-গাউসুল আজম (২৭), মোহাম্মদ মানিক (৩৭), মোহাম্মদ আলী (৩২), মেহেদী হাসান (২৭), মোহাম্মদ পলাশ (৪০), পারভেজ হোসেন (২৭), সৈকত হোসেন (১৯), শাহজাহান আলী (৪৭), মোহাম্মদ হাবিব (২২) ও মোহাম্মদ আরিফ (২৫)। ওসি সেলিম রেজা জানান, আসামি শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফাঁপোড় ফকিরপাড়ার গাওসুল আজম মাদক ব্যবসা ও সুদের কারবার করেন। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে রকির প্রার্থী হওয়ার কথা। তাই তিনি এলাকায় মাদক ও সুদের কারবার বন্ধের উদ্যোগ নেন। আলতাফ নামে এক প্রতিবেশী সুদে কিছু টাকা নেন গাওসুলের মা গোলাপী বেগমের কাছ থেকে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে গাওসুল বাড়িতে গিয়ে আলতাফকে মারধর করেন। নালিশ করলে রকি মীমাংসার জন্য এশার নামাজের পর গ্রামের হাটখোলা এলাকায় দু’পক্ষকে ডাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ২০-২২ জন সন্ত্রাসী নিয়ে গাওসুল সেখানে আসেন। রকির সঙ্গে থাকা উপস্থিত লোকজন ভয়ে পালিয়ে যায়। তখন সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রকির মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাজাহানকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। তবে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত আদালতের আদেশ পাওয়া যায়নি।

আ.লীগ নেতা হত্যায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 বগুড়া ব্যুরো 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রকিকে (৩৭) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই রুকু ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানায় এ মামলা করেন। আসামিরা হলেন-গাউসুল আজম (২৭), মোহাম্মদ মানিক (৩৭), মোহাম্মদ আলী (৩২), মেহেদী হাসান (২৭), মোহাম্মদ পলাশ (৪০), পারভেজ হোসেন (২৭), সৈকত হোসেন (১৯), শাহজাহান আলী (৪৭), মোহাম্মদ হাবিব (২২) ও মোহাম্মদ আরিফ (২৫)। ওসি সেলিম রেজা জানান, আসামি শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফাঁপোড় ফকিরপাড়ার গাওসুল আজম মাদক ব্যবসা ও সুদের কারবার করেন। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে রকির প্রার্থী হওয়ার কথা। তাই তিনি এলাকায় মাদক ও সুদের কারবার বন্ধের উদ্যোগ নেন। আলতাফ নামে এক প্রতিবেশী সুদে কিছু টাকা নেন গাওসুলের মা গোলাপী বেগমের কাছ থেকে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে গাওসুল বাড়িতে গিয়ে আলতাফকে মারধর করেন। নালিশ করলে রকি মীমাংসার জন্য এশার নামাজের পর গ্রামের হাটখোলা এলাকায় দু’পক্ষকে ডাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ২০-২২ জন সন্ত্রাসী নিয়ে গাওসুল সেখানে আসেন। রকির সঙ্গে থাকা উপস্থিত লোকজন ভয়ে পালিয়ে যায়। তখন সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রকির মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাজাহানকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। তবে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত আদালতের আদেশ পাওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন