নড়াইল থেকে ঢাকায় আসতে খরচ ৮ হাজার টাকা
jugantor
নড়াইল থেকে ঢাকায় আসতে খরচ ৮ হাজার টাকা

  কাওসার মাহমুদ  

০১ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুদ্বীপ বণিক। গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায়। স্বামী-স্ত্রী দুজনে টঙ্গীর একটি গার্মেন্ট কারখানায় চাকরি করেন। বিশেষ কাজে বাড়ি গিয়ে কঠোর লকডাউনে তারা কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। গার্মেন্ট খোলার খবর পেয়ে শনিবার ভোরে ঢাকার উদ্দেশে ছোট সন্তান নিয়ে তারা রওয়ানা হয়েছেন। রিকশা, ভ্যান ও অটোতে করে এ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে তাদের ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে! শনিবার বিকাল ৩টার দিকে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করেন তারা।

ঢাকায় আসতে অবর্ণনীয় কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সুদ্বীপ বলেন, আমার মাসিক বেতন ১২ হাজার টাকা। আর স্ত্রীর বেতন ১০ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে চার সদস্যের পরিবার কোনোমতে চলে যায়। কিন্তু চলতি মাসে টানাপোড়নের সৃষ্টি হবে। কর্মস্থলে আসতে এতগুলো টাকা লেগে গেল বলে তিনি আক্ষেপ করেন।

শুধু সুদ্বীপ নয়; শনিবার রাজধানীমুখো হাজার হাজার মানুষের সবার কাহিনি প্রায় একইরকম। গণপরিবহণ বন্ধ রেখে গার্মেন্ট খুলে দেওয়ায় লাখো মানুষ হেঁটে কিংবা ছোট ছোট যানবাহনে কর্মস্থল ফিরছেন। এসব যানবাহনে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে তাদের দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। গার্মেন্টকর্মী আনোয়ার জানান, চার সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন। তাদের ঢাকা পর্যন্ত আসতে চার হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

ডিএমপির লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান যুগান্তরকে বলেন, গার্মেন্ট খুলে দেওয়ায় সে াতের মতো মানুষ রাজধানীতে আসছে। হেঁটে মানুষ আসায় পুলিশের কিছু করার থাকে না। এরপরও তাদের মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।

নড়াইল থেকে ঢাকায় আসতে খরচ ৮ হাজার টাকা

 কাওসার মাহমুদ 
০১ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুদ্বীপ বণিক। গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায়। স্বামী-স্ত্রী দুজনে টঙ্গীর একটি গার্মেন্ট কারখানায় চাকরি করেন। বিশেষ কাজে বাড়ি গিয়ে কঠোর লকডাউনে তারা কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। গার্মেন্ট খোলার খবর পেয়ে শনিবার ভোরে ঢাকার উদ্দেশে ছোট সন্তান নিয়ে তারা রওয়ানা হয়েছেন। রিকশা, ভ্যান ও অটোতে করে এ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে তাদের ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে! শনিবার বিকাল ৩টার দিকে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করেন তারা।

ঢাকায় আসতে অবর্ণনীয় কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সুদ্বীপ বলেন, আমার মাসিক বেতন ১২ হাজার টাকা। আর স্ত্রীর বেতন ১০ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে চার সদস্যের পরিবার কোনোমতে চলে যায়। কিন্তু চলতি মাসে টানাপোড়নের সৃষ্টি হবে। কর্মস্থলে আসতে এতগুলো টাকা লেগে গেল বলে তিনি আক্ষেপ করেন।

শুধু সুদ্বীপ নয়; শনিবার রাজধানীমুখো হাজার হাজার মানুষের সবার কাহিনি প্রায় একইরকম। গণপরিবহণ বন্ধ রেখে গার্মেন্ট খুলে দেওয়ায় লাখো মানুষ হেঁটে কিংবা ছোট ছোট যানবাহনে কর্মস্থল ফিরছেন। এসব যানবাহনে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে তাদের দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। গার্মেন্টকর্মী আনোয়ার জানান, চার সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন। তাদের ঢাকা পর্যন্ত আসতে চার হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

ডিএমপির লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান যুগান্তরকে বলেন, গার্মেন্ট খুলে দেওয়ায় সে াতের মতো মানুষ রাজধানীতে আসছে। হেঁটে মানুষ আসায় পুলিশের কিছু করার থাকে না। এরপরও তাদের মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন