চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা
jugantor
চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজের শোয়ার ঘরে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেসমিন আরা আয়না ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী হাবিবুর রহমান হাবিলের স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রামের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এরা হলেন-একই গ্রামের মৃত সৌরভ হোসেনের ছেলে হাসান আলী, মৃত বাহার নস্করের ছেলে রহমান ও উসমান মণ্ডলের ছেলে মামুন।

সূত্র জানায়, মঙ্গলবার তার আড়াইটায় জেসমিন আরা আয়নার (৩৮) গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা বাড়িতে আসে। এ সময় খাটের ওপর জেসমিনের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে ঘরের তালা খোলা ছিল। পুলিশের ধারণা জেসমিনের সম্মতিতেই খুনি ঘরে ঢুকে খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। হাবিবুর রহমান প্রায় ১৫ বছর ধরে কুয়েতে রয়েছেন। দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী জেসমিন স্বামীর বাড়িতেই থাকেন। বড় মেয়ে তাসমিমকে সম্প্রতি বিয়ে দেন। ঘটনার দিন মেয়ে তাসমিম শ্বশুরবাড়িতে ছিল। ছেলে আজমির হোসেন ছিল ফুফুর বাড়িতে। জেসমিন আরা আয়না মঙ্গলবার রাতে একাই ঘরে ছিলেন। তিনি পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন বলে গ্রামের অনেকেই মন্তব্য করেন। গ্রামের কেউ কেউ জানান, জেসমিন আরার স্বামীর ১০ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা। একটি সূত্র জানায়, জেসমিন আরার কাছ থেকে গ্রামের একজন ১০ লাখ টাকা ধার নিয়েছে। স্বামী বাড়ি ফেরার আগেই ওই টাকা উদ্ধারের জন্য জেসমিন আরা তাকে চাপ দিচ্ছিলেন। এ কারণেও তিনি খুন হয়েছেন কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান যুগান্তরকে জানান, ‘খুনের ধরন দেখে মনে হয়েছে অপেশাদার খুনি। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো ছুরি ও কয়েকটি কাঁচের গেলাস উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা খুনের নেপথ্য জানার চেষ্টা করছি। আশা করি খুব শিগগিরই খুনি শনাক্ত হবে।’

চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজের শোয়ার ঘরে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেসমিন আরা আয়না ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী হাবিবুর রহমান হাবিলের স্ত্রী। এ ঘটনায় গ্রামের তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এরা হলেন-একই গ্রামের মৃত সৌরভ হোসেনের ছেলে হাসান আলী, মৃত বাহার নস্করের ছেলে রহমান ও উসমান মণ্ডলের ছেলে মামুন।

সূত্র জানায়, মঙ্গলবার তার আড়াইটায় জেসমিন আরা আয়নার (৩৮) গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা বাড়িতে আসে। এ সময় খাটের ওপর জেসমিনের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে ঘরের তালা খোলা ছিল। পুলিশের ধারণা জেসমিনের সম্মতিতেই খুনি ঘরে ঢুকে খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। হাবিবুর রহমান প্রায় ১৫ বছর ধরে কুয়েতে রয়েছেন। দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী জেসমিন স্বামীর বাড়িতেই থাকেন। বড় মেয়ে তাসমিমকে সম্প্রতি বিয়ে দেন। ঘটনার দিন মেয়ে তাসমিম শ্বশুরবাড়িতে ছিল। ছেলে আজমির হোসেন ছিল ফুফুর বাড়িতে। জেসমিন আরা আয়না মঙ্গলবার রাতে একাই ঘরে ছিলেন। তিনি পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন বলে গ্রামের অনেকেই মন্তব্য করেন। গ্রামের কেউ কেউ জানান, জেসমিন আরার স্বামীর ১০ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা। একটি সূত্র জানায়, জেসমিন আরার কাছ থেকে গ্রামের একজন ১০ লাখ টাকা ধার নিয়েছে। স্বামী বাড়ি ফেরার আগেই ওই টাকা উদ্ধারের জন্য জেসমিন আরা তাকে চাপ দিচ্ছিলেন। এ কারণেও তিনি খুন হয়েছেন কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান যুগান্তরকে জানান, ‘খুনের ধরন দেখে মনে হয়েছে অপেশাদার খুনি। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো ছুরি ও কয়েকটি কাঁচের গেলাস উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা খুনের নেপথ্য জানার চেষ্টা করছি। আশা করি খুব শিগগিরই খুনি শনাক্ত হবে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন