১০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিল সিন্ডিকেট
jugantor
রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ
১০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিল সিন্ডিকেট

  রাঙামাটি প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-জিপি দরপত্রে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ১০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঠিকাদারদের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। অনলাইনে এ দরপত্রে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকৌশল বিভাগের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশে সিন্ডিকেটটির মধ্যে কাজগুলো ইতোমধ্যে ভাগাভাগি করা হয়েছে। অনলাইনে নিয়ন্ত্রিত দরপত্র জমা দিতে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ঠিকাদাররা।

জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রিংওয়েল ও গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য ১৩ গ্রুপে ১০ কোটি টাকার কাজে দরপত্র আহ্বান করে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ই-জিপি দরপত্রে ২২ আগস্ট দুটি পত্রিকায় এ দরপত্র প্রকাশ করা হয়। শর্ত অনুযায়ী দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৮ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তার একদিন আগেই নিজেদের সাজানো দরপত্র গুছিয়ে অনলাইনে দরপত্র নিয়ন্ত্রণে নেয় সিন্ডিকেট। তাদের বাইরে অন্য সাধারণ ঠিকাদার কাউকে অনলাইনে দরপত্র পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাধারণ ঠিকাদারদের কয়েকজন বলেন, সিন্ডিকেটের ঠিকাদাররা প্রত্যেক গ্রুপের কাজে নিজের সিডিউলের (দরপত্র) সমর্থনে তাদের নিয়ন্ত্রিত ঠিকাদারি লাইসেন্সের নামে আরও ৪-৫টি করে ত্রুটিযুক্ত সিডিউল সাজিয়ে অনলাইনে জমা দেন। যাতে বাছাইয়ে নিজের সিডিউল টিকিয়ে কাজ পাওয়ার শতভাগ নিশ্চিত করা হয়। এতে নির্দিষ্ট অংকের পার্সেন্টেজের বিনিময়ে যোগসাজশ করেন নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। প্রচারবহুল পত্রিকায় প্রকাশ করে প্রকাশ্য ই-জিপি দরপত্র আহবান করা হয়েছে। বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে বৈধ ঠিকাদার যে কেউ অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারে। কাজেই এখানে কোনোরকম অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। যারা ইচ্ছুক সেসব ঠিকাদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে দরপত্র জমা দিয়েছেন। প্রত্যেক গ্রুপ কাজে ৪-৬টি সিডিউল পাওয়া গেছে। সিডিউলগুলো অনলাইন থেকে নামিয়ে জমা করা হয়েছে। এখনও বাছাই করা হয়নি। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ও সর্বনিু দরদাতাকে কাজ দেওয়া হবে।

রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ

১০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিল সিন্ডিকেট

 রাঙামাটি প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-জিপি দরপত্রে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ১০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঠিকাদারদের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। অনলাইনে এ দরপত্রে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকৌশল বিভাগের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশে সিন্ডিকেটটির মধ্যে কাজগুলো ইতোমধ্যে ভাগাভাগি করা হয়েছে। অনলাইনে নিয়ন্ত্রিত দরপত্র জমা দিতে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ঠিকাদাররা।

জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রিংওয়েল ও গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য ১৩ গ্রুপে ১০ কোটি টাকার কাজে দরপত্র আহ্বান করে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ই-জিপি দরপত্রে ২২ আগস্ট দুটি পত্রিকায় এ দরপত্র প্রকাশ করা হয়। শর্ত অনুযায়ী দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৮ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তার একদিন আগেই নিজেদের সাজানো দরপত্র গুছিয়ে অনলাইনে দরপত্র নিয়ন্ত্রণে নেয় সিন্ডিকেট। তাদের বাইরে অন্য সাধারণ ঠিকাদার কাউকে অনলাইনে দরপত্র পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাধারণ ঠিকাদারদের কয়েকজন বলেন, সিন্ডিকেটের ঠিকাদাররা প্রত্যেক গ্রুপের কাজে নিজের সিডিউলের (দরপত্র) সমর্থনে তাদের নিয়ন্ত্রিত ঠিকাদারি লাইসেন্সের নামে আরও ৪-৫টি করে ত্রুটিযুক্ত সিডিউল সাজিয়ে অনলাইনে জমা দেন। যাতে বাছাইয়ে নিজের সিডিউল টিকিয়ে কাজ পাওয়ার শতভাগ নিশ্চিত করা হয়। এতে নির্দিষ্ট অংকের পার্সেন্টেজের বিনিময়ে যোগসাজশ করেন নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। প্রচারবহুল পত্রিকায় প্রকাশ করে প্রকাশ্য ই-জিপি দরপত্র আহবান করা হয়েছে। বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে বৈধ ঠিকাদার যে কেউ অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারে। কাজেই এখানে কোনোরকম অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। যারা ইচ্ছুক সেসব ঠিকাদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে দরপত্র জমা দিয়েছেন। প্রত্যেক গ্রুপ কাজে ৪-৬টি সিডিউল পাওয়া গেছে। সিডিউলগুলো অনলাইন থেকে নামিয়ে জমা করা হয়েছে। এখনও বাছাই করা হয়নি। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ও সর্বনিু দরদাতাকে কাজ দেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন