৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ জনকে শোকজ
jugantor
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি
৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ জনকে শোকজ

  দিনাজপুর ও পার্বতীপুর প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে আরোপিত লকডাউন ও বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়ে প্রতিবাদ করায় খনির পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে। এ নিয়ে খনিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান নূর, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শিবলি জামান, ফয়সাল মাহমুদ ও সুশান্ত কুমার। এ ছাড়া খনির ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

খনির একটি সূত্রে জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর খনিতে প্রবেশ ও বের হওয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে খনির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বচসা হয়। এ ঘটনায় খনি কর্তৃপক্ষ বুধবার পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান খান সাংবাদিকদের জানান, করোনা পরিস্থিতির জন্য কয়লা খনিতে প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী আরোপিত এই বিধিনিষেধের প্রতিবাদ করে খনির ভেতরে বিক্ষোভ করে। এটি খনির শৃঙ্খলা লঙ্ঘন। তিনি বলেন, সাময়িক বরখাস্ত পাঁচজনসহ ৪৮ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। যাদের জবাব সন্তোষজনক হবে না, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকে খনি এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করা হলেও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে খনির ভেতর থেকে বেশ কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নির্বিঘ্নে বের হতেন ও বাইরে থেকে প্রবেশ করতেন। এ কারণেই খনি এলাকায় সম্প্রতি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে খনির বেশ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অধিকাংশ চীনা কর্মকর্তা ও শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হন।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি

৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ জনকে শোকজ

 দিনাজপুর ও পার্বতীপুর প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে আরোপিত লকডাউন ও বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়ে প্রতিবাদ করায় খনির পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে। এ নিয়ে খনিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান নূর, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শিবলি জামান, ফয়সাল মাহমুদ ও সুশান্ত কুমার। এ ছাড়া খনির ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

খনির একটি সূত্রে জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর খনিতে প্রবেশ ও বের হওয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে খনির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বচসা হয়। এ ঘটনায় খনি কর্তৃপক্ষ বুধবার পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান খান সাংবাদিকদের জানান, করোনা পরিস্থিতির জন্য কয়লা খনিতে প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী আরোপিত এই বিধিনিষেধের প্রতিবাদ করে খনির ভেতরে বিক্ষোভ করে। এটি খনির শৃঙ্খলা লঙ্ঘন। তিনি বলেন, সাময়িক বরখাস্ত পাঁচজনসহ ৪৮ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। যাদের জবাব সন্তোষজনক হবে না, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকে খনি এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করা হলেও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে খনির ভেতর থেকে বেশ কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নির্বিঘ্নে বের হতেন ও বাইরে থেকে প্রবেশ করতেন। এ কারণেই খনি এলাকায় সম্প্রতি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে খনির বেশ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অধিকাংশ চীনা কর্মকর্তা ও শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন