ফরিদপুরে ভায়রা হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন
jugantor
ফরিদপুরে ভায়রা হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে ভায়রা শেখ আজাদকে (২৬) হত্যার দায়ে বাচ্চু খান (২৮) নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সেলিম মিয়া সোমবার বেলা ৩টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ফরিদপুর শহরের দুই নম্বর হাবেলি গোপালপুরের ডগ বস্তির বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, লুঙ্গি সেলাই না করায় ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বাচ্চু খানের সঙ্গে স্ত্রী আঁখি আক্তারের ঝগড়া হয়। এ সময় পাশের বাড়ির আজাদ তাদের ঝগড়া থামাতে এলে বাচ্চু লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিনই বাচ্চুকে একমাত্র আসামি করে নিহতের বাবা হারুন শেখ কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এলাকাবাসী বাচ্চুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওই বছর ২৩ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ফরিদপুরে ভায়রা হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে ভায়রা শেখ আজাদকে (২৬) হত্যার দায়ে বাচ্চু খান (২৮) নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সেলিম মিয়া সোমবার বেলা ৩টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ফরিদপুর শহরের দুই নম্বর হাবেলি গোপালপুরের ডগ বস্তির বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, লুঙ্গি সেলাই না করায় ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বাচ্চু খানের সঙ্গে স্ত্রী আঁখি আক্তারের ঝগড়া হয়। এ সময় পাশের বাড়ির আজাদ তাদের ঝগড়া থামাতে এলে বাচ্চু লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিনই বাচ্চুকে একমাত্র আসামি করে নিহতের বাবা হারুন শেখ কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এলাকাবাসী বাচ্চুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওই বছর ২৩ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন