নীলফামারীতে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
নীলফামারীতে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  নীলফামারী ও ডিমলা প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নীলফামারীর ডিমলায় সুমি আক্তার (২০) হত্যা মামলায় স্বামী আলমগীর হোসেনকে (২৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন-২ আদালতের বিচারক মাহবুবার রহমান। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে অপর ছয় আসামিকে। আসামিদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশ দেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ডিমলার দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর সুমি আকতারকে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে করেন। সুমি উত্তর সোনাখুলি গ্রামের খতিবর রহমানের মেয়ে। বিয়েতে খতিবর যৌতুক হিসাবে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিয়ের পর অটো কেনার জন্য তিনি জামাইকে এক লাখ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৫০ হাজার টাকার জন্য আলমগীর ও তার পরিবারের লোকজন প্রায়ই সুমিকে মারধর করত। ওই টাকা না দেওয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর রাতে ঘরের ভেতর সুমিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় আলমগীর ও তার বাবা-মাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন সুমির বাবা। আসামিপক্ষের আইনজীবী আল-বরকত হোসেন বলেন, আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

নীলফামারীতে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 নীলফামারী ও ডিমলা প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নীলফামারীর ডিমলায় সুমি আক্তার (২০) হত্যা মামলায় স্বামী আলমগীর হোসেনকে (২৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন-২ আদালতের বিচারক মাহবুবার রহমান। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে অপর ছয় আসামিকে। আসামিদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশ দেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ডিমলার দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর সুমি আকতারকে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে করেন। সুমি উত্তর সোনাখুলি গ্রামের খতিবর রহমানের মেয়ে। বিয়েতে খতিবর যৌতুক হিসাবে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিয়ের পর অটো কেনার জন্য তিনি জামাইকে এক লাখ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৫০ হাজার টাকার জন্য আলমগীর ও তার পরিবারের লোকজন প্রায়ই সুমিকে মারধর করত। ওই টাকা না দেওয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর রাতে ঘরের ভেতর সুমিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় আলমগীর ও তার বাবা-মাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন সুমির বাবা। আসামিপক্ষের আইনজীবী আল-বরকত হোসেন বলেন, আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন