চট্টগ্রামে গর্ভপাতের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা
jugantor
চট্টগ্রামে গর্ভপাতের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে একাধিকবার গর্ভপাত করানোর অভিযোগে প্রবাসী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী। স্বামীর নাম কাজী সফিউল আলম। বুধবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী স্ত্রী সাজু আক্তার। আদালত নগরীর চান্দগাঁও থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ জানান, ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সফিউল ও সাজু আক্তার দম্পতির। বিয়ের এক মাস পরই বিদেশ পারি জমান স্বামী সফিউল, পরে তিনি আসা-যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন। এরপর ২০১৮ সালে সাজু আক্তার প্রথম গর্ভবতী হলে তার স্বামীর কথায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন এক চিকিৎসকের কাছ নিয়ে যান এবং ভিটামিনের কথা বলে গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ানো হয় তাকে। কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পরদিন থেকে সাজু আক্তারের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। গর্ভপাত হয়ে যায় সাজু আক্তারের। একইভাবে ২০২০ সালে আরেকবার গর্ভধারণ করলেও একই অবস্থার সৃষ্টি করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

সবশেষ চলতি বছর আবারও গর্ভধারণ করা হলে ভিকটিমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন সন্তানটিকে নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন অজুহাতে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বুধবার আদালতে গিয়ে স্বামী সফিউল আলমসহ শাশুড়ি ও দুই ননদকে আসামি করে মামলা করেন সাজু আক্তার।

চট্টগ্রামে গর্ভপাতের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে একাধিকবার গর্ভপাত করানোর অভিযোগে প্রবাসী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী। স্বামীর নাম কাজী সফিউল আলম। বুধবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী স্ত্রী সাজু আক্তার। আদালত নগরীর চান্দগাঁও থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ জানান, ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সফিউল ও সাজু আক্তার দম্পতির। বিয়ের এক মাস পরই বিদেশ পারি জমান স্বামী সফিউল, পরে তিনি আসা-যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন। এরপর ২০১৮ সালে সাজু আক্তার প্রথম গর্ভবতী হলে তার স্বামীর কথায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন এক চিকিৎসকের কাছ নিয়ে যান এবং ভিটামিনের কথা বলে গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ানো হয় তাকে। কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পরদিন থেকে সাজু আক্তারের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। গর্ভপাত হয়ে যায় সাজু আক্তারের। একইভাবে ২০২০ সালে আরেকবার গর্ভধারণ করলেও একই অবস্থার সৃষ্টি করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

সবশেষ চলতি বছর আবারও গর্ভধারণ করা হলে ভিকটিমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন সন্তানটিকে নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন অজুহাতে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বুধবার আদালতে গিয়ে স্বামী সফিউল আলমসহ শাশুড়ি ও দুই ননদকে আসামি করে মামলা করেন সাজু আক্তার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন