দুই যাত্রী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও পাঁচ
jugantor
ময়মনসিংহে ট্রেনে ডাকাতি
দুই যাত্রী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও পাঁচ

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা থেকে জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি ও দুই যাত্রী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও লুণ্ঠিত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এর আগে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনের ছাদে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি মিতালী বাজার এলাকার ওয়াহিদের ছেলে নাহিদ মিয়া ও জামালপুর শহরের বাগেড়হাটা বটতলা এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে সাগরের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাগরের মা হনুফা খাতুন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় নগরীর কেওয়াটখালি এলাকা থেকে শিমুল মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। আদালত ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করে শিমুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিনায়ক উইং কমান্ডার রুকনুজ্জামান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিরা পেশাদার সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। এরা ট্রেনে পেশাদার ছিনতাইকারী। ছোট ছোট গ্র“পে বিভক্ত হয়ে ছিনতাই করে। সুযোগ পেলেই করে ডাকাতি।

তিনি জানান, শনিবার রাতে নগরীর শিকারীকান্দা থেকে আশরাফুল ইসলাম স্বাধীনকে গ্রেফতারের পর তার কথামতো ময়মনসিংহ নগরীর বাঘমারার মনজুর ছেলে মাকসুদুল হক রিশাদ, সাব্বিরের ছেলে মো. হাসান ও মোহাম্মদ, ধামাইয়ের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে ট্রেনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে চার পেশাদার ডাকাত জামালপুর কমিউটার ট্রেনে ওঠে। পরে রিশাদ, হাসান ও স্বাধীন টঙ্গী স্টেশনে ওই চারজনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ট্রেনটি ফাতেমা নগর স্টেশনে থামলে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় মোহাম্মদ ও তার এক সহযোগী। ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে চলতে শুরু করলে তারা ইঞ্জিনের পরের বগির ছাদে বসে থাকা যাত্রীদের মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন লুট করা শুরু করে। একপর্যায়ে ভিকটিম মো. সাগর মিয়া ও নাহিদ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং ডাকাতরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে তাদের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। সাগর ও নাহিদ যখন আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ট্রেনের ছাদে লুটিয়ে পড়ে তখন ডাকাতরা ট্রেনটি ময়মনসিংহ রেলস্টেশনে ঢোকার পূর্বে সিগন্যালে ট্রেনের গতি কমলে নেমে যায়।

ময়মনসিংহে ট্রেনে ডাকাতি

দুই যাত্রী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও পাঁচ

 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা থেকে জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি ও দুই যাত্রী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও লুণ্ঠিত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এর আগে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনের ছাদে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি মিতালী বাজার এলাকার ওয়াহিদের ছেলে নাহিদ মিয়া ও জামালপুর শহরের বাগেড়হাটা বটতলা এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে সাগরের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাগরের মা হনুফা খাতুন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় নগরীর কেওয়াটখালি এলাকা থেকে শিমুল মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। আদালত ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করে শিমুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিনায়ক উইং কমান্ডার রুকনুজ্জামান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিরা পেশাদার সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। এরা ট্রেনে পেশাদার ছিনতাইকারী। ছোট ছোট গ্র“পে বিভক্ত হয়ে ছিনতাই করে। সুযোগ পেলেই করে ডাকাতি।

তিনি জানান, শনিবার রাতে নগরীর শিকারীকান্দা থেকে আশরাফুল ইসলাম স্বাধীনকে গ্রেফতারের পর তার কথামতো ময়মনসিংহ নগরীর বাঘমারার মনজুর ছেলে মাকসুদুল হক রিশাদ, সাব্বিরের ছেলে মো. হাসান ও মোহাম্মদ, ধামাইয়ের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে ট্রেনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে চার পেশাদার ডাকাত জামালপুর কমিউটার ট্রেনে ওঠে। পরে রিশাদ, হাসান ও স্বাধীন টঙ্গী স্টেশনে ওই চারজনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ট্রেনটি ফাতেমা নগর স্টেশনে থামলে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় মোহাম্মদ ও তার এক সহযোগী। ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে চলতে শুরু করলে তারা ইঞ্জিনের পরের বগির ছাদে বসে থাকা যাত্রীদের মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন লুট করা শুরু করে। একপর্যায়ে ভিকটিম মো. সাগর মিয়া ও নাহিদ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং ডাকাতরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে তাদের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। সাগর ও নাহিদ যখন আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ট্রেনের ছাদে লুটিয়ে পড়ে তখন ডাকাতরা ট্রেনটি ময়মনসিংহ রেলস্টেশনে ঢোকার পূর্বে সিগন্যালে ট্রেনের গতি কমলে নেমে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন