সিলেটে লন্ডনি মোবাশ্বিরের খুনি দ্বিতীয় স্ত্রী পান্না
jugantor
আদালতে স্বীকারোক্তি
সিলেটে লন্ডনি মোবাশ্বিরের খুনি দ্বিতীয় স্ত্রী পান্না

  সিলেট ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটে লন্ডনি আব্দুল হক মোবাশ্বিরকে (৫৯) খুন করেছে ১৯ বছরের এক তরুণী। তিনি নিজেকে খুন হওয়া মোবাশ্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করছেন। রোববার গ্রেফতারের পরপরই পান্না বেগম খুনের ঘটনা পুলিশকে বলেন। এর পরপরই আদালতে গিয়ে হত্যার কারণসহ সব রহস্য স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুর আড়াইটায় দক্ষিণ সুরমার চান্দাই থেকে গ্রেফতার করা হয় পান্নাকে। তিনি দক্ষিণ সুরমার চান্দাইয়ের রবিউল আলমের মেয়ে। পান্না তার স্বীকারোক্তিতে জানান, বয়সবৈষম্য, নিজের স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও মোবাশ্বির তাকে নানা প্রলোভনে বিয়ে করেন। অথচ প্রায় ৫ বছরেও তিনি সামাজিকভাবে স্ত্রীর স্বীকৃতি দেননি। অথচ লন্ডনে সন্তান রেখে আসা প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করছেন। এমতাবস্থায় স্বামী থাকা, না থাকা সমান। তাই খুন করেছেন মোবাশ্বিরকে।

শনিবার দক্ষিণ সুরমার ময়ুরকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারের পার্শ্ববর্তী আব্দুল হক মোবাশ্বিরের মালিকানাধীন হাউজিং প্রকল্পের টিনশেডেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। মোবাশ্বির মোগলাবাজার থানার সিলাম শেখপাড়ার মৃত ফজলুল হকের ছেলে। শনিবার রাত ১০টায় মোবাশ্বিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মোবাশ্বিরের বড় ভাই মুহিবুল হক দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা করেন। মোবাশ্বির লন্ডন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা ও সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম তালাত আজিজের মেজো ভাই। মোবাশ্বিরও লন্ডনে থাকতেন। কয়েক বছর তিনি দেশে অবস্থান করছিলেন লন্ডনে স্ত্রী-সন্তান রেখে।

আদালতে স্বীকারোক্তি

সিলেটে লন্ডনি মোবাশ্বিরের খুনি দ্বিতীয় স্ত্রী পান্না

 সিলেট ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটে লন্ডনি আব্দুল হক মোবাশ্বিরকে (৫৯) খুন করেছে ১৯ বছরের এক তরুণী। তিনি নিজেকে খুন হওয়া মোবাশ্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করছেন। রোববার গ্রেফতারের পরপরই পান্না বেগম খুনের ঘটনা পুলিশকে বলেন। এর পরপরই আদালতে গিয়ে হত্যার কারণসহ সব রহস্য স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুর আড়াইটায় দক্ষিণ সুরমার চান্দাই থেকে গ্রেফতার করা হয় পান্নাকে। তিনি দক্ষিণ সুরমার চান্দাইয়ের রবিউল আলমের মেয়ে। পান্না তার স্বীকারোক্তিতে জানান, বয়সবৈষম্য, নিজের স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও মোবাশ্বির তাকে নানা প্রলোভনে বিয়ে করেন। অথচ প্রায় ৫ বছরেও তিনি সামাজিকভাবে স্ত্রীর স্বীকৃতি দেননি। অথচ লন্ডনে সন্তান রেখে আসা প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করছেন। এমতাবস্থায় স্বামী থাকা, না থাকা সমান। তাই খুন করেছেন মোবাশ্বিরকে।

শনিবার দক্ষিণ সুরমার ময়ুরকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারের পার্শ্ববর্তী আব্দুল হক মোবাশ্বিরের মালিকানাধীন হাউজিং প্রকল্পের টিনশেডেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। মোবাশ্বির মোগলাবাজার থানার সিলাম শেখপাড়ার মৃত ফজলুল হকের ছেলে। শনিবার রাত ১০টায় মোবাশ্বিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মোবাশ্বিরের বড় ভাই মুহিবুল হক দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা করেন। মোবাশ্বির লন্ডন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা ও সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম তালাত আজিজের মেজো ভাই। মোবাশ্বিরও লন্ডনে থাকতেন। কয়েক বছর তিনি দেশে অবস্থান করছিলেন লন্ডনে স্ত্রী-সন্তান রেখে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন