পিরোজপুরে মাঠকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন
jugantor
এহসানের বিরুদ্ধে আরেক মামলা
পিরোজপুরে মাঠকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

  পিরোজপুর প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পিরোজপুরে বিতর্কিত এহসান গ্রুপে গ্রাহকের জমার টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রতারক রাগীব আহসান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ টাকা আÍসাতের অভিযোগে মামলাটি করেন নাজিরপুর উপজেলার কারি শামসুল হক। এ নিয়ে মোট ৬টি মামলা হয়েছে এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে।

এদিকে গ্রাহকের টাকা ফেরতের দাবিতে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সোমবার দুপুরে এহ্সান গ্রুপের একদল মাঠকর্মী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এতে অংশ নেন নাজিরপুর উপজেলার ৩ নম্বর দেউলবাড়ি, দোবড়া, মালিখালী, কলারদোয়ানিয়া ও নাজিরপুর সদর ইউনিয়নের এহ্সান গ্রুপের মাঠকর্মীরা। ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে মামলার বাদী শামসুল হকের ছেলে মাঠকর্মী মাওলানা মাসউদুর রহমান বলেন, সুদমুক্ত সমাজ গড়ার কথা বলে রাগীব আহসান বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমামদের মাঠকর্মী হিসাবে নিয়োগ দেন। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা এনে এহসানে জমা রাখেন। বিভিন্ন সময় টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত চেয়ে না পেয়ে এ মামলাটি করা হয়। উল্লিখিত ইউনিয়নগুলোর সাধারণ মানুষের প্রায় ৬ কোটি টাকার ওপর জমা আছে এহসান গ্রুপের কাছে।

এহসানের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

পিরোজপুরে মাঠকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

 পিরোজপুর প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পিরোজপুরে বিতর্কিত এহসান গ্রুপে গ্রাহকের জমার টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রতারক রাগীব আহসান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ টাকা আÍসাতের অভিযোগে মামলাটি করেন নাজিরপুর উপজেলার কারি শামসুল হক। এ নিয়ে মোট ৬টি মামলা হয়েছে এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে।

এদিকে গ্রাহকের টাকা ফেরতের দাবিতে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সোমবার দুপুরে এহ্সান গ্রুপের একদল মাঠকর্মী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এতে অংশ নেন নাজিরপুর উপজেলার ৩ নম্বর দেউলবাড়ি, দোবড়া, মালিখালী, কলারদোয়ানিয়া ও নাজিরপুর সদর ইউনিয়নের এহ্সান গ্রুপের মাঠকর্মীরা। ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে মামলার বাদী শামসুল হকের ছেলে মাঠকর্মী মাওলানা মাসউদুর রহমান বলেন, সুদমুক্ত সমাজ গড়ার কথা বলে রাগীব আহসান বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমামদের মাঠকর্মী হিসাবে নিয়োগ দেন। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা এনে এহসানে জমা রাখেন। বিভিন্ন সময় টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত চেয়ে না পেয়ে এ মামলাটি করা হয়। উল্লিখিত ইউনিয়নগুলোর সাধারণ মানুষের প্রায় ৬ কোটি টাকার ওপর জমা আছে এহসান গ্রুপের কাছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন