নাটোরে দোকান কর্মচারীর নখ উপড়ে চাঁদা দাবি, আটক ২
jugantor
আট ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
নাটোরে দোকান কর্মচারীর নখ উপড়ে চাঁদা দাবি, আটক ২

  নাটোর প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরে মুক্তিপণ আদায় করতে ফয়সাল হোসেন (১৫) নামে এক দোকান কর্মচারীর আঙুলের নখ উপড়ে ফেলার অভিযোগে আট যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন নাটোর সদর উপজেলার নবীনগর গ্রাামের ইসাহাক আলীর ছেলে একরাম হোসেন ওরফে সুমন (৩৫) এবং শহরের চকরামপুর মহল্লার আনিসুর রহমানের ছেলে মো. আবির হোসেন (২৬)। এ সময় পুলিশ মুক্তিপণ হিসাবে দেওয়া আর-ওয়ান-ফাইভ মডেলের একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।

নাটোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রনি আহমেদ, তার ভাই যুবলীগ সদস্য রবিউল আওয়াল বাপ্পি, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল শুভসহ ৮ জনকে আসামি করে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. ফয়সাল হোসেনের দোকান মালিক শহরের কানাইখালী এলাকার মোবাইল ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম।

ব্যবসায়ী আবদুস সালাম সোমবার দুপুরে জানান, লেনদেন নিয়ে একরাম হোসেন সুমনের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। এর জেরে শনিবার সন্ধ্যায় শহরের স্টেশন বাজার এলাকা থেকে মো. আবির এবং সুমনের সহযোগিতায় রবিউল আওয়াল বাপ্পি, মোহাম্মদ মনি তাকে ও তার দোকানের কর্মচারী ফয়সালকে মোটরসাইকেলে তুলে শহরের কানাইখালী এলাকায় যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে ফয়সালকে চোর আখ্যায়িত করে তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ফয়সালের বাম হাতের তর্জনীর নখ উপড়ে ফেলা হয়। নাটোর জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব বলেন, এটি একটি নৃশংস ঘটনা। এমন ঘটনায় যারাই জড়িত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নাটোর থানার ওসি মোহাম্মদ মনসুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত দুজনকে আটক এবং ভুক্তভোগী ফয়সাল ও আব্দুস সালামের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। ফয়সালকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আট ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

নাটোরে দোকান কর্মচারীর নখ উপড়ে চাঁদা দাবি, আটক ২

 নাটোর প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরে মুক্তিপণ আদায় করতে ফয়সাল হোসেন (১৫) নামে এক দোকান কর্মচারীর আঙুলের নখ উপড়ে ফেলার অভিযোগে আট যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন নাটোর সদর উপজেলার নবীনগর গ্রাামের ইসাহাক আলীর ছেলে একরাম হোসেন ওরফে সুমন (৩৫) এবং শহরের চকরামপুর মহল্লার আনিসুর রহমানের ছেলে মো. আবির হোসেন (২৬)। এ সময় পুলিশ মুক্তিপণ হিসাবে দেওয়া আর-ওয়ান-ফাইভ মডেলের একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।

নাটোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রনি আহমেদ, তার ভাই যুবলীগ সদস্য রবিউল আওয়াল বাপ্পি, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল শুভসহ ৮ জনকে আসামি করে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. ফয়সাল হোসেনের দোকান মালিক শহরের কানাইখালী এলাকার মোবাইল ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম।

ব্যবসায়ী আবদুস সালাম সোমবার দুপুরে জানান, লেনদেন নিয়ে একরাম হোসেন সুমনের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। এর জেরে শনিবার সন্ধ্যায় শহরের স্টেশন বাজার এলাকা থেকে মো. আবির এবং সুমনের সহযোগিতায় রবিউল আওয়াল বাপ্পি, মোহাম্মদ মনি তাকে ও তার দোকানের কর্মচারী ফয়সালকে মোটরসাইকেলে তুলে শহরের কানাইখালী এলাকায় যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে ফয়সালকে চোর আখ্যায়িত করে তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ফয়সালের বাম হাতের তর্জনীর নখ উপড়ে ফেলা হয়। নাটোর জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব বলেন, এটি একটি নৃশংস ঘটনা। এমন ঘটনায় যারাই জড়িত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নাটোর থানার ওসি মোহাম্মদ মনসুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত দুজনকে আটক এবং ভুক্তভোগী ফয়সাল ও আব্দুস সালামের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। ফয়সালকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন