নোয়াখালীতে সেটেলমেন্ট অফিসারের ২৩ বছরের কারাদণ্ড
jugantor
নোয়াখালীতে সেটেলমেন্ট অফিসারের ২৩ বছরের কারাদণ্ড

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীতে দুর্নীতির দায়ে সেটেলমেন্ট অফিসারসহ ২ জনের ২৩ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়া ৮৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার কবির আহমেদ ও নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুরের শ্রীপুর গ্রামের আবদুল আক্কাসের ছেলে সামছুল হক ওরফে শামছুদ্দিন। নোয়াখালীর বিশেষ জজ এএনএম মোরশেদ খানের আদালত সোমবার এ রায় দেন। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান, সেটেলমেন্ট অফিসার কবির আহমেদ অপর আসামির সঙ্গে যোগসাজশে আপিল মামলায় আপিলকারী আবু তাহের গংদের নামে আপিল মঞ্জুর করে নিজ স্বাক্ষরে তাদের নামে খতিয়ান ও অর্ডারসিটের সার্টিফাইড কপি তৈরি করে দেন। পরবর্তীতে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিবাদী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে আপিল মঞ্জুর আদেশ সিট পরিবর্তন করে তাতে আপিল নামঞ্জুর লিখে ডিপি খতিয়ানের সরকারি রেকর্ড কাটাকাটি করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেন এবং শামছুদ্দিন গং নামে খতিয়ান ও আদেশের সার্টিফাইড কপি নিজ স্বাক্ষরে তৈরি করেন। কবির আহমেদ আবু তাহের গংদের কাছ থেকে রায়ের ও খতিয়ানের মূলকপি সংশোধন করে ফেরত দেবেন বলে নিলেও প্রতারণামূলকভাবে আর ফেরত দেননি। জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মতিউন-উল হকের তদন্তে অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তিনি তার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুদক মামলা করে।

নোয়াখালীতে সেটেলমেন্ট অফিসারের ২৩ বছরের কারাদণ্ড

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীতে দুর্নীতির দায়ে সেটেলমেন্ট অফিসারসহ ২ জনের ২৩ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়া ৮৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার কবির আহমেদ ও নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুরের শ্রীপুর গ্রামের আবদুল আক্কাসের ছেলে সামছুল হক ওরফে শামছুদ্দিন। নোয়াখালীর বিশেষ জজ এএনএম মোরশেদ খানের আদালত সোমবার এ রায় দেন। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান, সেটেলমেন্ট অফিসার কবির আহমেদ অপর আসামির সঙ্গে যোগসাজশে আপিল মামলায় আপিলকারী আবু তাহের গংদের নামে আপিল মঞ্জুর করে নিজ স্বাক্ষরে তাদের নামে খতিয়ান ও অর্ডারসিটের সার্টিফাইড কপি তৈরি করে দেন। পরবর্তীতে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিবাদী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে আপিল মঞ্জুর আদেশ সিট পরিবর্তন করে তাতে আপিল নামঞ্জুর লিখে ডিপি খতিয়ানের সরকারি রেকর্ড কাটাকাটি করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেন এবং শামছুদ্দিন গং নামে খতিয়ান ও আদেশের সার্টিফাইড কপি নিজ স্বাক্ষরে তৈরি করেন। কবির আহমেদ আবু তাহের গংদের কাছ থেকে রায়ের ও খতিয়ানের মূলকপি সংশোধন করে ফেরত দেবেন বলে নিলেও প্রতারণামূলকভাবে আর ফেরত দেননি। জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মতিউন-উল হকের তদন্তে অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তিনি তার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুদক মামলা করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন