মিঠামইনে একজনের মৃত্যু
jugantor
ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে সংঘর্ষ
মিঠামইনে একজনের মৃত্যু

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

০৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জেলার মিঠামইনে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহতদের একজন মারা গেছে। তার নাম আনোয়ার হোসেন (৪০)। রোববার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আনোয়ার খলাপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে। উল্লেখ্য, ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মিঠামইনের ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের আশরাফ মাওলানা এবং পুরানবাড়ীর জামাল উদ্দিনের পরিবারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে আশরাফ মাওলানার পরিবারের আইনুল, উমর আলী, আবুল ফয়েজ, মনিরকে মিঠামইন উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হান্নান ও তাজুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে পুরানবাড়ী পরিবারের আনোয়ার হোসেন, ফরিদ ও লায়েছকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেলিম, কাজল ও ডালিমকে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আনোয়রকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে হাসপাতাল ও পরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মিঠামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে সংঘর্ষ

মিঠামইনে একজনের মৃত্যু

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
০৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জেলার মিঠামইনে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহতদের একজন মারা গেছে। তার নাম আনোয়ার হোসেন (৪০)। রোববার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আনোয়ার খলাপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে। উল্লেখ্য, ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মিঠামইনের ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের আশরাফ মাওলানা এবং পুরানবাড়ীর জামাল উদ্দিনের পরিবারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে আশরাফ মাওলানার পরিবারের আইনুল, উমর আলী, আবুল ফয়েজ, মনিরকে মিঠামইন উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হান্নান ও তাজুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে পুরানবাড়ী পরিবারের আনোয়ার হোসেন, ফরিদ ও লায়েছকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেলিম, কাজল ও ডালিমকে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আনোয়রকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে হাসপাতাল ও পরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মিঠামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন