শুল্ক কমল পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে
jugantor
শুল্ক কমল পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পর পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে শুল্ক-কর কমাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর চিনির নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগে পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হতো। এর মধ্যে ৫ শতাংশ ছিল আমদানি শুল্ক, বাকিটা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক। এখন শুধু নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (৫ শতাংশ) দিতে হবে। এ সুবিধা থাকছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর চিনির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শুল্ক টনপ্রতি ৩ হাজার টাকা ও ১৫ শতাংশ ভ্যাটের পাশাপাশি ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক দিতে হবে। এ সুবিধা আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে।

যদিও চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এতে চিনির দাম কমার সম্ভাবনা নেই। এ বিষয়ে সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমালেও এতে বাজারে তেমন প্রভাব ফেলবে না। কারণ কারখানায় যেসব র সুগার রয়েছে তার ইন-বন্ড বিল অব এন্ট্রি ৩০ শতাংশ ধরে করা আছে। ভূতাপেক্ষ সুবিধা দিলে হয়তো বাজারে মূল্য কমানো সম্ভব হতো। নতুন র সুগার এলে দাম কমবে।

এর আগে ১১ অক্টোবর পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, পাম তেল ও চিনির শুল্ক কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শুল্ক কমল পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পর পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে শুল্ক-কর কমাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর চিনির নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগে পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হতো। এর মধ্যে ৫ শতাংশ ছিল আমদানি শুল্ক, বাকিটা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক। এখন শুধু নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (৫ শতাংশ) দিতে হবে। এ সুবিধা থাকছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর চিনির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শুল্ক টনপ্রতি ৩ হাজার টাকা ও ১৫ শতাংশ ভ্যাটের পাশাপাশি ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক দিতে হবে। এ সুবিধা আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে।

যদিও চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এতে চিনির দাম কমার সম্ভাবনা নেই। এ বিষয়ে সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমালেও এতে বাজারে তেমন প্রভাব ফেলবে না। কারণ কারখানায় যেসব র সুগার রয়েছে তার ইন-বন্ড বিল অব এন্ট্রি ৩০ শতাংশ ধরে করা আছে। ভূতাপেক্ষ সুবিধা দিলে হয়তো বাজারে মূল্য কমানো সম্ভব হতো। নতুন র সুগার এলে দাম কমবে।

এর আগে ১১ অক্টোবর পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, পাম তেল ও চিনির শুল্ক কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন