সিলেটে ১৫১ কোটি টাকার পাথর লুট
jugantor
সিলেটে ১৫১ কোটি টাকার পাথর লুট
দুদকের মামলা

  সিলেট ব্যুরো  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে পাথর লুটের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে বুধবার মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন। দুদকের পক্ষ থেকে প্রায় ২৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার পাথর লুটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে টিলার কোয়ারির ইজারাদার মেসার্স বশির কোম্পানির মালিক মোহাম্মদ আলীকে। তিনি উপজেলার কাঁঠালবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। কোম্পানীগঞ্জে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর আয়তনের শাহ আরেফিন টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর খণ্ড। এসব পাথর উত্তোলন করতে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সরকারি খাস খতিয়ানের বিশাল এ টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার পুরোটা খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য গর্ত। ফলে টিলার অস্তিত্ব এখন সংকটে। টিলার মাটি কেটে গর্ত খুঁড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে প্রায়ই মাটি ধসে এখানে শ্রমিকের মৃত্যু হয়। গত পাঁচ বছরে এই টিলা ধসে অন্তত ২৫ জন পাথর শ্রমিক মারা গেছেন। শাহ আরেফিন টিলা ধ্বংস করে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলনের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে উঠে আসে গণমাধ্যমে। ২০১৬ সালে এ টিলা থেকে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করে খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়।

সিলেটে ১৫১ কোটি টাকার পাথর লুট

দুদকের মামলা
 সিলেট ব্যুরো 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে পাথর লুটের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে বুধবার মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন। দুদকের পক্ষ থেকে প্রায় ২৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার পাথর লুটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে টিলার কোয়ারির ইজারাদার মেসার্স বশির কোম্পানির মালিক মোহাম্মদ আলীকে। তিনি উপজেলার কাঁঠালবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। কোম্পানীগঞ্জে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর আয়তনের শাহ আরেফিন টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর খণ্ড। এসব পাথর উত্তোলন করতে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সরকারি খাস খতিয়ানের বিশাল এ টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার পুরোটা খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য গর্ত। ফলে টিলার অস্তিত্ব এখন সংকটে। টিলার মাটি কেটে গর্ত খুঁড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে প্রায়ই মাটি ধসে এখানে শ্রমিকের মৃত্যু হয়। গত পাঁচ বছরে এই টিলা ধসে অন্তত ২৫ জন পাথর শ্রমিক মারা গেছেন। শাহ আরেফিন টিলা ধ্বংস করে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলনের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে উঠে আসে গণমাধ্যমে। ২০১৬ সালে এ টিলা থেকে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করে খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন