অপহরণের পর ছাতকে বন্ধুকে হত্যা
jugantor
অপহরণের পর ছাতকে বন্ধুকে হত্যা

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছাতকে এক যুবককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে চার বন্ধু মিলে হত্যা করেছে। নিহতের নাম সালেহ আহমদ (২২)। মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর ছাতক পৌর শহরের লেভারপাড়া জামে মসজিদ থেকে তাকে অপহরণ করা হয়।

প্রত্যক্ষর্শীদের অভিযোগ, সালেহের চার বন্ধু মিজান, ফাইম, রাজ্জাক ও নাজমুল মিলে এ ঘটনা ঘটায়। বাইরে বেরুনোর কথা বলে তার হাত-পা ও কালো কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলা হয়।

শুক্রবার ভোরে মৌলভীবাজারের কুলাউরা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে সালেহের বন্ধুরা তার পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানায়। খবর পেয়ে শনিবার ভোরে নিহতের বড় ভাই আলী আহমদ সিলেট ওসমানী মেডিকেলের পাশে তাকে একটি গাড়িতে অজ্ঞান অবস্থায় পায়। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মাথা, গলা ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে চিকিৎসক জানান।

নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে শনিবার বিকালে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজিম উদ্দিন জনান, এ ঘটনার খবর পেয়েছি। লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপহরণের পর ছাতকে বন্ধুকে হত্যা

 ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছাতকে এক যুবককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে চার বন্ধু মিলে হত্যা করেছে। নিহতের নাম সালেহ আহমদ (২২)। মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর ছাতক পৌর শহরের লেভারপাড়া জামে মসজিদ থেকে তাকে অপহরণ করা হয়।

প্রত্যক্ষর্শীদের অভিযোগ, সালেহের চার বন্ধু মিজান, ফাইম, রাজ্জাক ও নাজমুল মিলে এ ঘটনা ঘটায়। বাইরে বেরুনোর কথা বলে তার হাত-পা ও কালো কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলা হয়।

শুক্রবার ভোরে মৌলভীবাজারের কুলাউরা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে সালেহের বন্ধুরা তার পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানায়। খবর পেয়ে শনিবার ভোরে নিহতের বড় ভাই আলী আহমদ সিলেট ওসমানী মেডিকেলের পাশে তাকে একটি গাড়িতে অজ্ঞান অবস্থায় পায়। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মাথা, গলা ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে চিকিৎসক জানান।

নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে শনিবার বিকালে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজিম উদ্দিন জনান, এ ঘটনার খবর পেয়েছি। লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন