চট্টগ্রামে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম
jugantor
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার
চট্টগ্রামে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

  আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রোববার বিকাল থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করায় মিয়ানমার ও ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। মূলত এসব কারণেই পেঁয়াজের দাম কমছে। চাক্তাই খাতুনগঞ্জে ভারতীয় ভালো মানের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

আর মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে মানভেদে ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৮ টাকা দরে। যেসব পেঁয়াজ পাইকারিতে ১৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, তা অর্ধপচা। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও এ বাজারে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় ও মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে পাইকারিতে কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে আরও দুই-তিন দিন লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি নেই। ভারতে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ভারতীয় ও মিয়ানামারের পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পেঁয়াজ আসায় দামও নিম্নমুখী। তবে মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশই নিম্নমানের। আড়তদার রাইসুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, মিয়ানমারের পেঁয়াজ কাঠের ট্রলারে আসার পথে অর্ধেকের বেশি পচে যায়। বর্তমানে মিয়ানমারের পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। সরেজমিন সোমবার খাতুনগঞ্জের একাধিক আড়ত ঘুরে দেখা যায়, শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া রাস্তার ওপর স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পেঁয়াজের বস্তা। এসব পেঁয়াজ কিনতে ভ্যানগাড়ি নিয়ে এসেছেন ফেরিওয়ালারা। তারা রাস্তার ধারে রোদে শুকিয়ে মোটামুটি মানের পেঁয়াজগুলো আলাদা করে বস্তায় ভরছেন। কয়েকজন আড়তদারকেও একই কাজ করতে দেখা গেছে। এখান থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কম দামে কিনে এসব পেঁয়াজ ভ্যানে করে বিক্রি করছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের পাইকারি মার্কেট হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, একাধিক কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে। সরকার পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে।

এখন চট্টগ্রামে পেঁয়াজের সংকট নেই। উল্লেখ্য, ১৪ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। আগে পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যবসায়ীদের ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার

চট্টগ্রামে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

 আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রোববার বিকাল থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করায় মিয়ানমার ও ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। মূলত এসব কারণেই পেঁয়াজের দাম কমছে। চাক্তাই খাতুনগঞ্জে ভারতীয় ভালো মানের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

আর মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে মানভেদে ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৮ টাকা দরে। যেসব পেঁয়াজ পাইকারিতে ১৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, তা অর্ধপচা। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও এ বাজারে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় ও মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে পাইকারিতে কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে আরও দুই-তিন দিন লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি নেই। ভারতে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ভারতীয় ও মিয়ানামারের পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পেঁয়াজ আসায় দামও নিম্নমুখী। তবে মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশই নিম্নমানের। আড়তদার রাইসুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, মিয়ানমারের পেঁয়াজ কাঠের ট্রলারে আসার পথে অর্ধেকের বেশি পচে যায়। বর্তমানে মিয়ানমারের পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। সরেজমিন সোমবার খাতুনগঞ্জের একাধিক আড়ত ঘুরে দেখা যায়, শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া রাস্তার ওপর স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পেঁয়াজের বস্তা। এসব পেঁয়াজ কিনতে ভ্যানগাড়ি নিয়ে এসেছেন ফেরিওয়ালারা। তারা রাস্তার ধারে রোদে শুকিয়ে মোটামুটি মানের পেঁয়াজগুলো আলাদা করে বস্তায় ভরছেন। কয়েকজন আড়তদারকেও একই কাজ করতে দেখা গেছে। এখান থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কম দামে কিনে এসব পেঁয়াজ ভ্যানে করে বিক্রি করছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের পাইকারি মার্কেট হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, একাধিক কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে। সরকার পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে।

এখন চট্টগ্রামে পেঁয়াজের সংকট নেই। উল্লেখ্য, ১৪ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। আগে পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যবসায়ীদের ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন