সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছে ৩ শতাধিক পর্যটক
jugantor
সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছে ৩ শতাধিক পর্যটক

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে সার্ভিস বোট (ট্রলার) চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ট্রলারে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে যাওয়া তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তবে আতঙ্কের পরিবর্তে ফুরফুরে মেজাজে সময় কাটাচ্ছেন তারা। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিরাপদে রাখার ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ু চাপের আধিক্যের পার্থক্য থাকায় চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর এবং নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তাল ও ঝড়ো হাওয়াসহ কক্সবাজারে বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে রোববার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মুজিবুর রহমান বলেন, অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় অনেকে প্রতিবছর বর্ষা ও এ মৌসুমে নিজস্ব নিরাপত্তায় সেন্টমার্টিন আসেন। এবারও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।

সেন্টমার্টিনের সি প্রবাল রিসোর্টের মালিক আব্দুল মালেক বলেন, জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও পর্যটকরা নিজস্ব নিরাপত্তায় স্পিডবোট ও ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন এসেছেন। অনেকের রোববার, আবার কারও সোমবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবহাওয়া বৈরী হওয়ায় সেন্টমার্টিন থেকে কোনো ট্রলার বা স্পিডবোট ছেড়ে যেতে দেয়নি কোস্টগার্ড। রিসোর্টে অবস্থান করা পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছেন। কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের সেন্টমার্টিন স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হোটেল ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বরাতে জানতে পেরেছি ২৫০ থেকে ৩৩০ জনের মতো পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তাদের টেকনাফে পাঠানো হবে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, মৌসুম না হলেও নিজস্ব নিরাপত্তায় কয়েকশ পর্যটক সেন্টমার্টিন গেছেন বলে খবর পেয়েছি। বৈরী আবহাওয়ায় আটকা পড়ার পরই এটি প্রচার পেয়েছে। আমরা পর্যটকদের খোঁজখবর নিয়েছি এবং নিরাপদে থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছে ৩ শতাধিক পর্যটক

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে সার্ভিস বোট (ট্রলার) চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ট্রলারে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে যাওয়া তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তবে আতঙ্কের পরিবর্তে ফুরফুরে মেজাজে সময় কাটাচ্ছেন তারা। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিরাপদে রাখার ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ু চাপের আধিক্যের পার্থক্য থাকায় চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর এবং নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তাল ও ঝড়ো হাওয়াসহ কক্সবাজারে বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে রোববার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মুজিবুর রহমান বলেন, অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় অনেকে প্রতিবছর বর্ষা ও এ মৌসুমে নিজস্ব নিরাপত্তায় সেন্টমার্টিন আসেন। এবারও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।

সেন্টমার্টিনের সি প্রবাল রিসোর্টের মালিক আব্দুল মালেক বলেন, জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও পর্যটকরা নিজস্ব নিরাপত্তায় স্পিডবোট ও ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন এসেছেন। অনেকের রোববার, আবার কারও সোমবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবহাওয়া বৈরী হওয়ায় সেন্টমার্টিন থেকে কোনো ট্রলার বা স্পিডবোট ছেড়ে যেতে দেয়নি কোস্টগার্ড। রিসোর্টে অবস্থান করা পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছেন। কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের সেন্টমার্টিন স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হোটেল ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বরাতে জানতে পেরেছি ২৫০ থেকে ৩৩০ জনের মতো পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তাদের টেকনাফে পাঠানো হবে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, মৌসুম না হলেও নিজস্ব নিরাপত্তায় কয়েকশ পর্যটক সেন্টমার্টিন গেছেন বলে খবর পেয়েছি। বৈরী আবহাওয়ায় আটকা পড়ার পরই এটি প্রচার পেয়েছে। আমরা পর্যটকদের খোঁজখবর নিয়েছি এবং নিরাপদে থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন