সাভারে চুরি করতে দেখায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা
jugantor
সাভারে চুরি করতে দেখায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার আশুলিয়ায় টাকা চুরি করতে দেখে ফেলায় শিশু ফেরদৌস (১১) হত্যার শিকার হয়েছে। সোমবার ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় একটি পরিবহণে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। সকালে রাস্তার পাশ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ক্ল্যাসিক পরিবহণের চালকের সহযোগী মো. শাহ পরান হৃদয়কে (২০) আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আশুলিয়ার বাইপাইলে গাড়ি ধোয়ামোছা করে রাত ১টার দিকে কন্ডাক্টর হৃদয়, হেলপার পারভেজ ও শিশু ফেরদৌস গাড়িটিতে ঘুমিয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর হৃদয়ের পকেট থেকে পারভেজ ৫০০ টাকা চুরি করে। এ সময় ফেরদৌস তা দেখে ফেলে। তবে ওই সময় কিছু না বলাতে পারভেজ ভেবেছিল চুরির বিষয়টি ফেরদৌস দেখতে পায়নি। এরপর পারভেজও ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুম থেকে উঠে পকেটে টাকা না পেয়ে হৃদয় চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় জেগে ফেরদৌস বলে, টাকা পারভেজ চুরি করেছে এবং আমি তা দেখেছি। এ কথা শোনার পর পারভেজ ও হৃদয়ের মধ্যে মারামারি হয়। চুরির কথা বলায় পারভেজ ক্ষিপ্ত হয়ে ফেরদৌসকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর এ হত্যাকাণ্ডের হাত থেকে বাঁচতে পারভেজ ও হৃদয় দু’জনই ফেরদৌসের লাশ সড়কের পাশে ফেলে রাখে। হত্যার বিষয়টি গোপন করতে সাভার হাইওয়ে থানায় সড়ক দুর্ঘটনার কথা মোবাইল ফোনে জানায় পারভেজ।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় সব জানায়। পারভেজকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। ফেরদৌসের বড় বোন রুবিনা বেগম বলেন, চঞ্চল প্রকৃতির ফেরদৌস তিন দিন আগে একটি বাসে হেলপারের সহকারী হিসাবে কাজে যোগ দেয়। তাদের বাবা রইচ উদ্দিন একটি পরিবহণের চালক হিসাবে কাজ করেন। আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ বালুর মাঠ এলাকায় তারা ভাড়া থাকেন। তাদের বাড়ি শেরপুরের সদর থানার মুন্সিপাড়া গ্রামে। চাঁদপুরের হাজিগঞ্জ থানার চরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ সাহেব আলীর ছেলে হৃদয় আশুলিয়ার ক্ল্যাসিক পরিবহণে চালকের সহযোগী (কন্ডাক্টর) হিসাবে কাজ করত।

সাভারে চুরি করতে দেখায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার আশুলিয়ায় টাকা চুরি করতে দেখে ফেলায় শিশু ফেরদৌস (১১) হত্যার শিকার হয়েছে। সোমবার ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় একটি পরিবহণে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। সকালে রাস্তার পাশ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ক্ল্যাসিক পরিবহণের চালকের সহযোগী মো. শাহ পরান হৃদয়কে (২০) আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আশুলিয়ার বাইপাইলে গাড়ি ধোয়ামোছা করে রাত ১টার দিকে কন্ডাক্টর হৃদয়, হেলপার পারভেজ ও শিশু ফেরদৌস গাড়িটিতে ঘুমিয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর হৃদয়ের পকেট থেকে পারভেজ ৫০০ টাকা চুরি করে। এ সময় ফেরদৌস তা দেখে ফেলে। তবে ওই সময় কিছু না বলাতে পারভেজ ভেবেছিল চুরির বিষয়টি ফেরদৌস দেখতে পায়নি। এরপর পারভেজও ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুম থেকে উঠে পকেটে টাকা না পেয়ে হৃদয় চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় জেগে ফেরদৌস বলে, টাকা পারভেজ চুরি করেছে এবং আমি তা দেখেছি। এ কথা শোনার পর পারভেজ ও হৃদয়ের মধ্যে মারামারি হয়। চুরির কথা বলায় পারভেজ ক্ষিপ্ত হয়ে ফেরদৌসকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর এ হত্যাকাণ্ডের হাত থেকে বাঁচতে পারভেজ ও হৃদয় দু’জনই ফেরদৌসের লাশ সড়কের পাশে ফেলে রাখে। হত্যার বিষয়টি গোপন করতে সাভার হাইওয়ে থানায় সড়ক দুর্ঘটনার কথা মোবাইল ফোনে জানায় পারভেজ।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় সব জানায়। পারভেজকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। ফেরদৌসের বড় বোন রুবিনা বেগম বলেন, চঞ্চল প্রকৃতির ফেরদৌস তিন দিন আগে একটি বাসে হেলপারের সহকারী হিসাবে কাজে যোগ দেয়। তাদের বাবা রইচ উদ্দিন একটি পরিবহণের চালক হিসাবে কাজ করেন। আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ বালুর মাঠ এলাকায় তারা ভাড়া থাকেন। তাদের বাড়ি শেরপুরের সদর থানার মুন্সিপাড়া গ্রামে। চাঁদপুরের হাজিগঞ্জ থানার চরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ সাহেব আলীর ছেলে হৃদয় আশুলিয়ার ক্ল্যাসিক পরিবহণে চালকের সহযোগী (কন্ডাক্টর) হিসাবে কাজ করত।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন