৪০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলেন মেয়ে
jugantor
৪০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলেন মেয়ে

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৪০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলেন মিনতি বেগম (৪৭)। ৭ বছর বয়সে তিনি হারিয়ে গিয়েছিলেন। মেয়েকে পেয়ে জড়িয়ে ধরে আনন্দে কেঁদে ফেলেন মা। খুশিতে আত্মহারা বাড়ির সবাই। শাহরুখ নয়ন নামের এক তরুণের মাধ্যমে আপনজনদের ফিরে পেলেন মিনতি। রোববার নিজ গ্রাম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের রানীগ্রামে আসেন তিনি। তার বাবার নাম বাছের আলী। তারা চার ভাইবোন। তাদের মধ্যে তিনিই ছোট।

জানা গেছে, সেই সময় মিনতি চাচাতো বোনের স্বামীর সঙ্গে ময়মনসিংহে বেড়াতে গিয়ে স্টেশনে হারিয়ে যান। সেখানকার মসলেম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাকে নিয়ে যান নিজের বাড়িতে। সেখানেই বড় হন তিনি। বিয়ে হয় গাজিপুরের শ্রীপুর এলাকার ব্যবসায়ী বুরহান উদ্দিনের সঙ্গে।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী শাহরুখ জানান, তার বাড়ি একই উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মকিমপুরে। এক সময় পরিচয় হয় মিনতির মেয়ের স্বামীর সঙ্গে। তার কাছেই শোনেন মিনতির হারিয়ে যাওয়ার কথা। তখন মিনতির সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, রাজশাহীর কাছিকাটা গ্রামে তার বাড়ি। এটুকু ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেননি। তিনি যখন হারিয়ে যান তখন বৃহত্তর রাজশাহী জেলা ছিল। নিজ উপজেলাতে কাছিকাটা গ্রাম থাকায় শাহরুখ সেখানে মিনতির বর্তমান ছবিসহ লিফলেট বিতরণ করেন।

এরপর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। মিনতি ফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছোটবেলার কিছু চিহ্ন ও স্মৃতির সূত্র ধরেই আপনজনদের সন্ধান পান। মিনতি বেগম বলেন, এত বছর পর সবাইকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। শাহরুখের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

৪০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলেন মেয়ে

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৪০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলেন মিনতি বেগম (৪৭)। ৭ বছর বয়সে তিনি হারিয়ে গিয়েছিলেন। মেয়েকে পেয়ে জড়িয়ে ধরে আনন্দে কেঁদে ফেলেন মা। খুশিতে আত্মহারা বাড়ির সবাই। শাহরুখ নয়ন নামের এক তরুণের মাধ্যমে আপনজনদের ফিরে পেলেন মিনতি। রোববার নিজ গ্রাম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের রানীগ্রামে আসেন তিনি। তার বাবার নাম বাছের আলী। তারা চার ভাইবোন। তাদের মধ্যে তিনিই ছোট।

জানা গেছে, সেই সময় মিনতি চাচাতো বোনের স্বামীর সঙ্গে ময়মনসিংহে বেড়াতে গিয়ে স্টেশনে হারিয়ে যান। সেখানকার মসলেম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাকে নিয়ে যান নিজের বাড়িতে। সেখানেই বড় হন তিনি। বিয়ে হয় গাজিপুরের শ্রীপুর এলাকার ব্যবসায়ী বুরহান উদ্দিনের সঙ্গে।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী শাহরুখ জানান, তার বাড়ি একই উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মকিমপুরে। এক সময় পরিচয় হয় মিনতির মেয়ের স্বামীর সঙ্গে। তার কাছেই শোনেন মিনতির হারিয়ে যাওয়ার কথা। তখন মিনতির সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, রাজশাহীর কাছিকাটা গ্রামে তার বাড়ি। এটুকু ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেননি। তিনি যখন হারিয়ে যান তখন বৃহত্তর রাজশাহী জেলা ছিল। নিজ উপজেলাতে কাছিকাটা গ্রাম থাকায় শাহরুখ সেখানে মিনতির বর্তমান ছবিসহ লিফলেট বিতরণ করেন।

এরপর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। মিনতি ফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছোটবেলার কিছু চিহ্ন ও স্মৃতির সূত্র ধরেই আপনজনদের সন্ধান পান। মিনতি বেগম বলেন, এত বছর পর সবাইকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। শাহরুখের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন