নিভে গেল শিশু আজমীরের চোখের আলো
jugantor
ট্রেনে ছোড়া পাথরের আঘাত
নিভে গেল শিশু আজমীরের চোখের আলো

  নীলফামারী প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে আহত শিশু আজমীরের চোখের আলো শেষ পর্যন্ত নিভেই গেছে। শিশুটির ফলোআপ চিকিৎসা করতে গিয়ে সোমবার ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এ মত দেন।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের মাছ (হ্যাচারি) ব্যবসায়ী মারুফ ইসলাম গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এ বছর ঈদ–ল আজহা উদযাপন করেন। ঈদ শেষে ১৫ আগস্ট স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। সৈয়দপুর রেল স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার আগ মুহূর্তে হোম সিগনালের কাছে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের একটি খণ্ড আজমীরের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তার চোখ ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে।

আজমীরকে দ্রুত সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাশেদুল ইসলাম মওলার পরামর্শে পরে তাকে ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৭ আগস্ট আজমীরের চোখে (কর্নিয়া) অস্ত্রোপচার করা হয়।

এ ব্যাপারে আজমীরের বাবা মোবাইলে যুগান্তরকে বলেন, এখন পর্যন্ত এক লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। তাকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে যে চিকিৎসা করব তারও সামর্থ্য আমার নেই। এ ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করলেও এখন পর্যন্ত কেউই আটক হয়নি।

ট্রেনে ছোড়া পাথরের আঘাত

নিভে গেল শিশু আজমীরের চোখের আলো

 নীলফামারী প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে আহত শিশু আজমীরের চোখের আলো শেষ পর্যন্ত নিভেই গেছে। শিশুটির ফলোআপ চিকিৎসা করতে গিয়ে সোমবার ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এ মত দেন।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের মাছ (হ্যাচারি) ব্যবসায়ী মারুফ ইসলাম গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এ বছর ঈদ–ল আজহা উদযাপন করেন। ঈদ শেষে ১৫ আগস্ট স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। সৈয়দপুর রেল স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার আগ মুহূর্তে হোম সিগনালের কাছে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের একটি খণ্ড আজমীরের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তার চোখ ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে।

আজমীরকে দ্রুত সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাশেদুল ইসলাম মওলার পরামর্শে পরে তাকে ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৭ আগস্ট আজমীরের চোখে (কর্নিয়া) অস্ত্রোপচার করা হয়।

এ ব্যাপারে আজমীরের বাবা মোবাইলে যুগান্তরকে বলেন, এখন পর্যন্ত এক লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। তাকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে যে চিকিৎসা করব তারও সামর্থ্য আমার নেই। এ ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করলেও এখন পর্যন্ত কেউই আটক হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন