সুধারামের জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল
jugantor
শিশু আরাফাত হত্যা
সুধারামের জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর সুধারামে ৯ বছরের শিশু আরাফাত হোসেন হত্যায় জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। রায় নিয়ে তার পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছেন। আসামিপক্ষে আদালতে শুনানি করেন জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী এবিএম বায়েজীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

সব বিচারিক ধাপ শেষে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তি সর্বোচ্চ আদালতের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন (রিভিউ পিটিশন) করতে পারেন। সে আবেদন খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।

কিন্তু আইনজীবী বায়েজীদ বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ আদালতের কাছে ফের রিভিউ আবেদন করব। সে রিভিউ খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষা না দিলে দণ্ড কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।’

মামলার এজাহার অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০০৭ সালের ১৩ মার্চ সন্ধ্যার পর খেলনা পিস্তল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশু আরাফাত হোসেনকে (৯) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার রক্তাক্ত লাশ পাশের কবরস্থানে ফেলে রাখা যায়।

দুদিন পর শিশুটির বাবা মো. বাবুল খান বাদী হয়ে সুধারাম থানায় জাহাঙ্গীরের নামে হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেফতারের পর জাহাঙ্গীর ওই বছরের ১৮ মার্চ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে শিশু আরাফাতকে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে স্বীকার করেন জাহাঙ্গীর। বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২৮ জুলাই নোয়াখালীর আদালত জাহাঙ্গীরকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

শিশু আরাফাত হত্যা

সুধারামের জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর সুধারামে ৯ বছরের শিশু আরাফাত হোসেন হত্যায় জাহাঙ্গীরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। রায় নিয়ে তার পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছেন। আসামিপক্ষে আদালতে শুনানি করেন জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী এবিএম বায়েজীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

সব বিচারিক ধাপ শেষে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তি সর্বোচ্চ আদালতের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন (রিভিউ পিটিশন) করতে পারেন। সে আবেদন খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।

কিন্তু আইনজীবী বায়েজীদ বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ আদালতের কাছে ফের রিভিউ আবেদন করব। সে রিভিউ খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষা না দিলে দণ্ড কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।’

মামলার এজাহার অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০০৭ সালের ১৩ মার্চ সন্ধ্যার পর খেলনা পিস্তল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশু আরাফাত হোসেনকে (৯) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার রক্তাক্ত লাশ পাশের কবরস্থানে ফেলে রাখা যায়।

দুদিন পর শিশুটির বাবা মো. বাবুল খান বাদী হয়ে সুধারাম থানায় জাহাঙ্গীরের নামে হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেফতারের পর জাহাঙ্গীর ওই বছরের ১৮ মার্চ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে শিশু আরাফাতকে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে স্বীকার করেন জাহাঙ্গীর। বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২৮ জুলাই নোয়াখালীর আদালত জাহাঙ্গীরকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন