এখনই সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: জিএম কাদের
jugantor
এখনই সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: জিএম কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। এখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানাচ্ছে। তাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। যারা সংখ্যালঘুদের শক্র, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। দেশের মানুষ ধর্মের নামে আর সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস দেখতে চায় না। তাই এখনই সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশে তিনি শুক্রবার এ কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপির সভাপতিত্বে এ সমাবেশে জিএম কাদের বলেন, কারা ও কেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চাইছে তা বের করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একজন প্রতিমন্ত্রী কেন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না বলে আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করে ধর্মপ্রাণ মানুষের অন্তরে আঘাত করেছেন তাও খতিয়ে দেখতে হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, উসকানিমূলক হামলা থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িঘর রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ব্যর্থতা হচ্ছে সরকারেরই ব্যর্থতা। এ ব্যর্থতার দায় সরকারকে নিতেই হবে। বক্তৃতায় সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, পল্লিবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের জন্য পৃথক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছিলেন। শুভ জন্মাষ্টমীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। মসজিদ, মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ের পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করেছিলেন। তিনি সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। সম্প্রীতি সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজি সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, ভাইস চেয়ারম্যান সালমা হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ফখরুল আহসান শাহজাদা, যুগ্ম-সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আকতার হোসেন দেওয়ান, এমএ সোবহান, মাশুকুর রহমান, সম্প্রীতি সমাবেশে সঞ্চালনা করেন যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, উপদেষ্টা হারুন আর রশীদ, যুগ্ম-মহাসচিব বেলাল হোসেন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নির্মল চন্দ্র দাস, এনাম জয়নাল আবেদীন, এমএ রাজ্জাক খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক নূরুল হক নূরু, সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুল হুদা মিয়া, রমজান আলী ভুইয়া, মেহেদী হাসান শিপন, কাওছার আহমেদ, মাওলানা খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, আব্দুস সালাম লিটন প্রমুখ।

এখনই সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: জিএম কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। এখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানাচ্ছে। তাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। যারা সংখ্যালঘুদের শক্র, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। দেশের মানুষ ধর্মের নামে আর সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস দেখতে চায় না। তাই এখনই সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশে তিনি শুক্রবার এ কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপির সভাপতিত্বে এ সমাবেশে জিএম কাদের বলেন, কারা ও কেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চাইছে তা বের করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একজন প্রতিমন্ত্রী কেন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না বলে আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করে ধর্মপ্রাণ মানুষের অন্তরে আঘাত করেছেন তাও খতিয়ে দেখতে হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, উসকানিমূলক হামলা থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িঘর রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ব্যর্থতা হচ্ছে সরকারেরই ব্যর্থতা। এ ব্যর্থতার দায় সরকারকে নিতেই হবে। বক্তৃতায় সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, পল্লিবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের জন্য পৃথক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছিলেন। শুভ জন্মাষ্টমীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। মসজিদ, মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ের পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করেছিলেন। তিনি সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। সম্প্রীতি সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজি সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, ভাইস চেয়ারম্যান সালমা হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ফখরুল আহসান শাহজাদা, যুগ্ম-সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আকতার হোসেন দেওয়ান, এমএ সোবহান, মাশুকুর রহমান, সম্প্রীতি সমাবেশে সঞ্চালনা করেন যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, উপদেষ্টা হারুন আর রশীদ, যুগ্ম-মহাসচিব বেলাল হোসেন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নির্মল চন্দ্র দাস, এনাম জয়নাল আবেদীন, এমএ রাজ্জাক খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক নূরুল হক নূরু, সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুল হুদা মিয়া, রমজান আলী ভুইয়া, মেহেদী হাসান শিপন, কাওছার আহমেদ, মাওলানা খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, আব্দুস সালাম লিটন প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন