খিলক্ষেতে চিকিৎসকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য
jugantor
খিলক্ষেতে চিকিৎসকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য
পরিবারের দাবি হত্যা

  পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার খিলক্ষেতে ডা. জয়দেব কুমারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের পর তার মৃত্যুরহস্য ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সদ্য এমবিবিএস পাশ করেন। শুক্রবার দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর রহমান সমবেদনা জানাতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে পার্বতীপুরের চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শালন্দার কুমারপাড়া গ্রামে গেলে বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য বেরিয়ে আসে।

পরিবারের দাবি, ডা. জয়দেব কুমারের মৃত্যু স্বাভাবিক বা আত্মহত্যা নয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। মা মিনা রানী দাস জানান, তার ছেলের ল্যাপটপটি পাওয়া যায়নি। সেটি উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার রুমমেট ডাক্তার কোথায়? তিনি অকাট্য একটি যুক্তি তুলে বলেন, আমরা গরিব মানুষ, ঢাকা যেতে দেরি হতেই পারে। আমরা পথে থাকা অবস্থায় লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আমাদের দেখতে দেওয়া হয়নি। তাকে কী অবস্থায় পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে সে ছুরতহাল আমাদের সামনে লেখা হয়নি। ভবনটিতে সিসি ক্যামেরা ছিল, পুলিশ তা জব্দ করেনি। ডা. জয়দেবের বাল্যশিক্ষক হাবিবুর রহমান জানান, সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। অনেক দুঃখ-কষ্টের মধ্যে লেখাপড়া করেছে। তার আত্মহত্যার প্রশ্নই উঠে না। তিনিও এটিকে একটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন। গ্রামে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষের ঢল নামে। গোটা গ্রামের বাসিন্দা তার মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান। ভাই গোপাল জানান, ১৪ জুন আমার ভাই জয়দেবকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে এক লোক ফোনে নানা রকমের প্রশ্ন করেছিলেন। যা তার অবস্থান জানার মতো। এসব তথ্য জীবিতকালে ডা. জয়দেব বাবা-মা ও ভাইদের কাছে বলেছিলেন। বাবা দিলীপ চন্দ্র দাস বলেন, তার সঙ্গে যে চিরকুট পাওয়ার কথা বলা হয়েছে সে লেখার সঙ্গে আমার ছেলের হাতের লেখার কোনো মিল নেই। ছোট ভাই নয়ন জানান, ল্যাপটপ ও সিসি ক্যামেরা উদ্ধারসহ দারোয়ান ও রুমমেটকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নিয়ে এলে রহস্য বেরিয়ে আসবে।

১৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেতের একটি বাসা থেকে ডা. জয়দেবের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেটি ছিল খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট। খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, সন্ধিগ্ন সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। আমরা পরিবারের কাছে জয়দেবের হাতের কোনো লেখা আছে কি-না, তা চেয়েছি।

খিলক্ষেতে চিকিৎসকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য

পরিবারের দাবি হত্যা
 পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার খিলক্ষেতে ডা. জয়দেব কুমারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের পর তার মৃত্যুরহস্য ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সদ্য এমবিবিএস পাশ করেন। শুক্রবার দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর রহমান সমবেদনা জানাতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে পার্বতীপুরের চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শালন্দার কুমারপাড়া গ্রামে গেলে বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য বেরিয়ে আসে।

পরিবারের দাবি, ডা. জয়দেব কুমারের মৃত্যু স্বাভাবিক বা আত্মহত্যা নয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। মা মিনা রানী দাস জানান, তার ছেলের ল্যাপটপটি পাওয়া যায়নি। সেটি উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার রুমমেট ডাক্তার কোথায়? তিনি অকাট্য একটি যুক্তি তুলে বলেন, আমরা গরিব মানুষ, ঢাকা যেতে দেরি হতেই পারে। আমরা পথে থাকা অবস্থায় লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আমাদের দেখতে দেওয়া হয়নি। তাকে কী অবস্থায় পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে সে ছুরতহাল আমাদের সামনে লেখা হয়নি। ভবনটিতে সিসি ক্যামেরা ছিল, পুলিশ তা জব্দ করেনি। ডা. জয়দেবের বাল্যশিক্ষক হাবিবুর রহমান জানান, সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। অনেক দুঃখ-কষ্টের মধ্যে লেখাপড়া করেছে। তার আত্মহত্যার প্রশ্নই উঠে না। তিনিও এটিকে একটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন। গ্রামে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষের ঢল নামে। গোটা গ্রামের বাসিন্দা তার মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান। ভাই গোপাল জানান, ১৪ জুন আমার ভাই জয়দেবকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে এক লোক ফোনে নানা রকমের প্রশ্ন করেছিলেন। যা তার অবস্থান জানার মতো। এসব তথ্য জীবিতকালে ডা. জয়দেব বাবা-মা ও ভাইদের কাছে বলেছিলেন। বাবা দিলীপ চন্দ্র দাস বলেন, তার সঙ্গে যে চিরকুট পাওয়ার কথা বলা হয়েছে সে লেখার সঙ্গে আমার ছেলের হাতের লেখার কোনো মিল নেই। ছোট ভাই নয়ন জানান, ল্যাপটপ ও সিসি ক্যামেরা উদ্ধারসহ দারোয়ান ও রুমমেটকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নিয়ে এলে রহস্য বেরিয়ে আসবে।

১৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেতের একটি বাসা থেকে ডা. জয়দেবের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেটি ছিল খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট। খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, সন্ধিগ্ন সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। আমরা পরিবারের কাছে জয়দেবের হাতের কোনো লেখা আছে কি-না, তা চেয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন