বগুড়ায় জমির বিরোধে ছুরিকাঘাতে নিহত ১
jugantor
বগুড়ায় জমির বিরোধে ছুরিকাঘাতে নিহত ১

  বগুড়া ব্যুরো  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় জমির বিরোধে ছুরিকাঘাতে জাহের আলী প্রামাণিক (৩৮) নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালক মারা গেছেন। এ সময় তার দুই ভাই ও ভাতিজা আহত হয়েছেন। সদরের লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের রহমতবালা মধ্যপাড়ায় শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রহমতবালা গ্রামে সরকারি গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন রাস্তার জন্য জমি নিয়ে জাহেরের সঙ্গে প্রতিবেশী নুরুল আমিনের বিরোধ চলছিল। নুরুল রাস্তা দখলের জন্য গুচ্ছগ্রামের কয়েকটি ঘরে তালা দেন। এ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আল আমিন শুক্রবার বেলা ১০টার দিকে সালিশ বৈঠক ডাকেন। সেখানে আলোচনা করে বিরোধপূর্ণ জমি সার্ভেয়ার দিয়ে মাপার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জমি মাপার সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নুরুলের ছেলে সজিব ক্ষিপ্ত হয়ে জাহেরের পেটে ও বুকে ছুরিকাঘাত করেন। তার চিৎকারে ভাই আবু তাহের প্রামাণিক, বাদল প্রামাণিক ও বাদলের ছেলে ইসলাম প্রামাণিক ছুটে আসেন। সজিব তাদেরকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। আহত চারজনকে শহরতলির গোকুল এলাকায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহের মারা যান। পরে আহতদের বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার পরপরই সজিব ও তার বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেছেন। জাহেরের লাশ শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে।

বগুড়ায় জমির বিরোধে ছুরিকাঘাতে নিহত ১

 বগুড়া ব্যুরো 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় জমির বিরোধে ছুরিকাঘাতে জাহের আলী প্রামাণিক (৩৮) নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালক মারা গেছেন। এ সময় তার দুই ভাই ও ভাতিজা আহত হয়েছেন। সদরের লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের রহমতবালা মধ্যপাড়ায় শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রহমতবালা গ্রামে সরকারি গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন রাস্তার জন্য জমি নিয়ে জাহেরের সঙ্গে প্রতিবেশী নুরুল আমিনের বিরোধ চলছিল। নুরুল রাস্তা দখলের জন্য গুচ্ছগ্রামের কয়েকটি ঘরে তালা দেন। এ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আল আমিন শুক্রবার বেলা ১০টার দিকে সালিশ বৈঠক ডাকেন। সেখানে আলোচনা করে বিরোধপূর্ণ জমি সার্ভেয়ার দিয়ে মাপার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জমি মাপার সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে নুরুলের ছেলে সজিব ক্ষিপ্ত হয়ে জাহেরের পেটে ও বুকে ছুরিকাঘাত করেন। তার চিৎকারে ভাই আবু তাহের প্রামাণিক, বাদল প্রামাণিক ও বাদলের ছেলে ইসলাম প্রামাণিক ছুটে আসেন। সজিব তাদেরকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। আহত চারজনকে শহরতলির গোকুল এলাকায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহের মারা যান। পরে আহতদের বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার পরপরই সজিব ও তার বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেছেন। জাহেরের লাশ শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন