ভিডিও ফুটেজ দেখে ১৩ জন গ্রেফতার
jugantor
চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলা
ভিডিও ফুটেজ দেখে ১৩ জন গ্রেফতার

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে আটজন এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ১৫ অক্টোবরের হামলার পর ১০টি মামলায় ১২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রথমে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন : সুবর্ণচর উপজেলার চরবহুলা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মো. ফরহাদ (২৬), চৌমুহনী পৌরসভার সাহাব উদ্দিনের ছেলে শামীম (২৭), জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন (১৮), বাবুলের ছেলে দুলাল (৪০), ছয়ানীর ইউনিয়নের দেলোয়ারের ছেলে জুয়েল (১৯), কামরুল হাসানের ছেলে আরাফাত হোসেন আবীর (১৮), হাজীপুরের নুরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে রাজীব (২৪) ও তাজুল ইসলামের ছেলে কামাল (৪৫)। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন : বেগমগঞ্জের নরোত্তমপুরের আবদুস সাত্তারের ছেলে শহীদ (৪৫), গণিপুরের এতিম আলীর ছেলে হুমায়ন (৬৩), আবুল কাশেমের ছেলে কাশেম বিন আবু জুবায়ের অরিন (২৫), মোস্তফার ছেলে ইমাম হোসেন রাজু (২৮) ও বাবুল মিয়ার ছেলে আলা উদ্দিন (৩৫)। শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ওইদিনের হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। হামলাকারীদের একপক্ষ বাজারের প্রধান সড়কে পুলিশকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ব্যস্ত রাখে। আর সাতটি গ্রুপ একযোগে সাতটি মন্দিরে হামলা চালায়। ভিডিও ফুটেজ দেখে সহিংসতাকারীদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলা

ভিডিও ফুটেজ দেখে ১৩ জন গ্রেফতার

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে আটজন এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ১৫ অক্টোবরের হামলার পর ১০টি মামলায় ১২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রথমে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন : সুবর্ণচর উপজেলার চরবহুলা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মো. ফরহাদ (২৬), চৌমুহনী পৌরসভার সাহাব উদ্দিনের ছেলে শামীম (২৭), জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন (১৮), বাবুলের ছেলে দুলাল (৪০), ছয়ানীর ইউনিয়নের দেলোয়ারের ছেলে জুয়েল (১৯), কামরুল হাসানের ছেলে আরাফাত হোসেন আবীর (১৮), হাজীপুরের নুরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে রাজীব (২৪) ও তাজুল ইসলামের ছেলে কামাল (৪৫)। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন : বেগমগঞ্জের নরোত্তমপুরের আবদুস সাত্তারের ছেলে শহীদ (৪৫), গণিপুরের এতিম আলীর ছেলে হুমায়ন (৬৩), আবুল কাশেমের ছেলে কাশেম বিন আবু জুবায়ের অরিন (২৫), মোস্তফার ছেলে ইমাম হোসেন রাজু (২৮) ও বাবুল মিয়ার ছেলে আলা উদ্দিন (৩৫)। শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ওইদিনের হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। হামলাকারীদের একপক্ষ বাজারের প্রধান সড়কে পুলিশকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ব্যস্ত রাখে। আর সাতটি গ্রুপ একযোগে সাতটি মন্দিরে হামলা চালায়। ভিডিও ফুটেজ দেখে সহিংসতাকারীদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন