বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আজ মৃত্যুবার্ষিকী
jugantor
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আজ মৃত্যুবার্ষিকী

  কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষ্যে তার স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনাসভার আয়োজন করেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ড ও কমলগঞ্জ প্রেস ক্লাব।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভোরে কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউনিয়নের ধলই সীমান্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহিদ হন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, এর মধ্যে অন্যতম ছিলেন হামিদুর রহমান। শুধু তাই নয়, মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহিদ হওয়া হামিদুর রহমান এই সাতজনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।

তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আক্কাস আলী ও মা মোছা. কায়মুন্নেসা।

সেনাবাহিনীর সিপাহি পদে ১৯৭০ সালে যোগ দেন হামিদুর রহমান। পরের বছরের অক্টোবরে তিনি ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল অভিযানে অংশ নেন। তার বীরত্বে ওই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয় এবং তাদের ফাঁড়ি দখল করে নেওয়া হয়। তবে এ যুদ্ধে শহিদ হন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সীমান্তের কাছে দাফন করা হয়। পরে ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর ত্রিপুরা থেকে তার লাশ এনে গ্রামের বাড়িতে পুনরায় দাফন করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আজ মৃত্যুবার্ষিকী

 কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষ্যে তার স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনাসভার আয়োজন করেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ড ও কমলগঞ্জ প্রেস ক্লাব।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভোরে কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউনিয়নের ধলই সীমান্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহিদ হন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, এর মধ্যে অন্যতম ছিলেন হামিদুর রহমান। শুধু তাই নয়, মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহিদ হওয়া হামিদুর রহমান এই সাতজনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।

তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আক্কাস আলী ও মা মোছা. কায়মুন্নেসা।

সেনাবাহিনীর সিপাহি পদে ১৯৭০ সালে যোগ দেন হামিদুর রহমান। পরের বছরের অক্টোবরে তিনি ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল অভিযানে অংশ নেন। তার বীরত্বে ওই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয় এবং তাদের ফাঁড়ি দখল করে নেওয়া হয়। তবে এ যুদ্ধে শহিদ হন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সীমান্তের কাছে দাফন করা হয়। পরে ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর ত্রিপুরা থেকে তার লাশ এনে গ্রামের বাড়িতে পুনরায় দাফন করা হয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন