গৌরীপুরে আসনে বসতে পারলেন না চেয়ারম্যান
jugantor
ঘুরতে ঘুরতেই মেয়াদ শেষ
গৌরীপুরে আসনে বসতে পারলেন না চেয়ারম্যান

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১৩ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হযরত আলী

আদালত আর নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতেই মেয়াদ শেষ ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ২ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী হযরত আলীর। নৌকা প্রতীকের এ প্রার্থীর আর চেয়ারম্যানের আসনে বসা হলো না। নির্বাচন কমিশন চতুর্থ ধাপে এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে।

হযরত আলীর আইনজীবী বাঁধন কুমার গোস্বামী জানান, ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ ইউনিয়নে আনোয়ার হোসেনকে (ঘোড়া প্রতীক) বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হযরত আলী এ বিজয়কে চ্যালেঞ্জ করে ময়মনসিংহের সদর সিনিয়র সহকারী জজ ও নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে ২টি কেন্দ্রের ভোট পুনঃগণনার আবেদন জানিয়ে মামলা করেন। পুনঃগণনায় ঘোড়া প্রতীকের ১০১টি ভোট বাতিল ও নৌকা প্রতীকের তিন ভোট বৃদ্ধি পায়। বাতিল ভোটগুলোতে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সিলের স্থলে হাতের ও পায়ের আঙুলের ছাপ দেওয়া ছিল। ৫১ ভোটে হযরত আলীকে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় দেন আদালত। বিচারক উমা রানী দাস ২০২০ সালের ২৪ মার্চ এ রায় দেন। এ রায়ের পর উচ্চ আদালতে আপিল করেন আনোয়ার হোসেন। উচ্চ আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠান।

হযরত আলী শুক্রবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, জনগণ আমাকে আবারও ভোট দেবে ইনশাআল্লাহ। এবার প্রত্যেকটি কেন্দ্র পাহারা দিতে কর্মীদের এখনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি এবারও নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৯ মে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শপথগ্রহণের পর এ ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করেন আনোয়ার হোসেন।

ঘুরতে ঘুরতেই মেয়াদ শেষ

গৌরীপুরে আসনে বসতে পারলেন না চেয়ারম্যান

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১৩ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
হযরত আলী
হযরত আলী। ফাইল ছবি

আদালত আর নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতেই মেয়াদ শেষ ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ২ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী হযরত আলীর। নৌকা প্রতীকের এ প্রার্থীর আর চেয়ারম্যানের আসনে বসা হলো না। নির্বাচন কমিশন চতুর্থ ধাপে এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে।

হযরত আলীর আইনজীবী বাঁধন কুমার গোস্বামী জানান, ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ ইউনিয়নে আনোয়ার হোসেনকে (ঘোড়া প্রতীক) বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হযরত আলী এ বিজয়কে চ্যালেঞ্জ করে ময়মনসিংহের সদর সিনিয়র সহকারী জজ ও নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে ২টি কেন্দ্রের ভোট পুনঃগণনার আবেদন জানিয়ে মামলা করেন। পুনঃগণনায় ঘোড়া প্রতীকের ১০১টি ভোট বাতিল ও নৌকা প্রতীকের তিন ভোট বৃদ্ধি পায়। বাতিল ভোটগুলোতে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সিলের স্থলে হাতের ও পায়ের আঙুলের ছাপ দেওয়া ছিল। ৫১ ভোটে হযরত আলীকে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় দেন আদালত। বিচারক উমা রানী দাস ২০২০ সালের ২৪ মার্চ এ রায় দেন। এ রায়ের পর উচ্চ আদালতে আপিল করেন আনোয়ার হোসেন। উচ্চ আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠান।

হযরত আলী শুক্রবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, জনগণ আমাকে আবারও ভোট দেবে ইনশাআল্লাহ। এবার প্রত্যেকটি কেন্দ্র পাহারা দিতে কর্মীদের এখনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি এবারও নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৯ মে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শপথগ্রহণের পর এ ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করেন আনোয়ার হোসেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন