বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন রাজাকারপুত্র মেয়র মকছুদ
jugantor
বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন রাজাকারপুত্র মেয়র মকছুদ

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে কুপিয়ে জখম করেছেন রাজাকারের ছেলে কক্সবাজারের মহেশখালীর পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার স্বজনরা। পৌরসভার গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি মহেশখালীর গোরকঘাটার মৃত লাল মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত পৌর মেয়র যুদ্ধাপরাধী তালিকার মহেশখালী উপজেলার ২২ নম্বর আসামি হাশেম সিকদার ওরফে বড় মোহাম্মদের ছেলে।

মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ বলেন, রিকশা নিয়ে গোরকঘাটা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে গাড়ি থেকে নেমে তার রিকশার গতিরোধ করে পৌর মেয়র মকছুদ। পরে মেয়র ও তার ছেলে ইয়াবা মামলার আসামি নিশান, ভাগিনা মামুন ও স্বজন মহিউদ্দিন, শামসুদ্দিনসহ আরও কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়।

আহতের ছেলে দেলোয়ার বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ তার দলবল নিয়ে তার বাবাকে হত্যা করতে হামলা করেছে। এছাড়া কিছুদিন আগে তার বাবা মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই থেকে নিরপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তারা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সেই আশঙ্কা সত্য করে তার বাবার ওপর হামলা করেছে মেয়র ও তার স্বজনরা।

তবে অভিযুক্ত মেয়র বলেন, আমজাদ হোসেনের মানসিক সমস্যা রয়েছে, এ কারণে হামলায় তার নাম বলছেন। তিনি আমজাদের ওপর হামলায় জড়িত নন। হামলা হয়েছে কিনা তাও জানেন না। তিনি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন।

পৌর মেয়র আরও বলেন, খাইরুল আমিন হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে, যে মামলায় মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ অভিযুক্ত। হয়তোবা সেই মামলার কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তিনি এ হামলার নাটক সাজিয়েছেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তার ওপর হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। তার লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন রাজাকারপুত্র মেয়র মকছুদ

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে কুপিয়ে জখম করেছেন রাজাকারের ছেলে কক্সবাজারের মহেশখালীর পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার স্বজনরা। পৌরসভার গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি মহেশখালীর গোরকঘাটার মৃত লাল মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত পৌর মেয়র যুদ্ধাপরাধী তালিকার মহেশখালী উপজেলার ২২ নম্বর আসামি হাশেম সিকদার ওরফে বড় মোহাম্মদের ছেলে।

মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ বলেন, রিকশা নিয়ে গোরকঘাটা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে গাড়ি থেকে নেমে তার রিকশার গতিরোধ করে পৌর মেয়র মকছুদ। পরে মেয়র ও তার ছেলে ইয়াবা মামলার আসামি নিশান, ভাগিনা মামুন ও স্বজন মহিউদ্দিন, শামসুদ্দিনসহ আরও কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়।

আহতের ছেলে দেলোয়ার বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ তার দলবল নিয়ে তার বাবাকে হত্যা করতে হামলা করেছে। এছাড়া কিছুদিন আগে তার বাবা মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই থেকে নিরপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তারা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সেই আশঙ্কা সত্য করে তার বাবার ওপর হামলা করেছে মেয়র ও তার স্বজনরা।

তবে অভিযুক্ত মেয়র বলেন, আমজাদ হোসেনের মানসিক সমস্যা রয়েছে, এ কারণে হামলায় তার নাম বলছেন। তিনি আমজাদের ওপর হামলায় জড়িত নন। হামলা হয়েছে কিনা তাও জানেন না। তিনি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন।

পৌর মেয়র আরও বলেন, খাইরুল আমিন হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে, যে মামলায় মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ অভিযুক্ত। হয়তোবা সেই মামলার কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তিনি এ হামলার নাটক সাজিয়েছেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তার ওপর হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। তার লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন