রাজশাহীতে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
আইনজীবীকে হেনস্তা
রাজশাহীতে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোটর সাইকেলের কাগজ দেখানো নিয়ে হেনস্তা করার অভিযোগে রাজশাহীতে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সিনিয়র স্পেশাল ও দায়রা জজ আদালতে বৃহস্পতিবার মামলাটি করেন রাজশাহী বারের আইনজীবী মো, সাদেক মিয়া। আদালত পিবিআইকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হচ্ছেন-বানেশ্বর পুলিশ বক্সের ট্রাফিক অফিসার অভিজিৎ সরকার, এএসআই সাইফুল ইসলাম, দুর্গাপুর থানার পুলিশ কনস্টেবল হেলাল উদ্দিন ও খোরশেদ আলম।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০ নভেম্বর দুপুর ১২টার সময় অ্যাডভোকেট মো. সাদেক মিয়া তার চাচাতো ভাই মেহেদী হাসানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কাজে বের হন। তারা দুর্গাপুর থানার মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় তিনি মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজ দেখালেও আসামিরা দুই হাজার টাকা দাবি করেন। বাদী নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিলে পুলিশ সদস্যের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা বাদী ও তার ভাইকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মোটরসাইকেল কেড়ে নেয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, বাদীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে হাজতে বন্ধ করে রাখে। বাদী তার মোবাইল ফোনে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে আসামিরা বাদীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এলাকায় ঘটনাটি জানাজানি হলে সাধারণ লোকজন থানা ঘেরাও করেন। ফলে পুলিশ বাদীকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অ্যাডভোকেট সাদেক মিয়া বলেন, আমি আমার পরিচয় দেওয়ার পর আসামিরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। ২২ নভেম্বর এ নিয়ে আমি থানায় মামলা করতে গেলে দুর্গাপুর থানার ওসি তা গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি হাসমত আলী বলেন, বিষয়টি ঘটনার দিনই সমাধান হয়ে গেছে। পুলিশ বা আইনজীবী কোনো পক্ষের কোনো অভিযোগ ছিল না। এ ব্যাপারে পরে তিনি আমার কাছে আসেননি। কী কারণে তিনি আদালতে মামলা করলেন তা বোধগম্য নয়।

আইনজীবীকে হেনস্তা

রাজশাহীতে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোটর সাইকেলের কাগজ দেখানো নিয়ে হেনস্তা করার অভিযোগে রাজশাহীতে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সিনিয়র স্পেশাল ও দায়রা জজ আদালতে বৃহস্পতিবার মামলাটি করেন রাজশাহী বারের আইনজীবী মো, সাদেক মিয়া। আদালত পিবিআইকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হচ্ছেন-বানেশ্বর পুলিশ বক্সের ট্রাফিক অফিসার অভিজিৎ সরকার, এএসআই সাইফুল ইসলাম, দুর্গাপুর থানার পুলিশ কনস্টেবল হেলাল উদ্দিন ও খোরশেদ আলম।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০ নভেম্বর দুপুর ১২টার সময় অ্যাডভোকেট মো. সাদেক মিয়া তার চাচাতো ভাই মেহেদী হাসানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কাজে বের হন। তারা দুর্গাপুর থানার মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় তিনি মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজ দেখালেও আসামিরা দুই হাজার টাকা দাবি করেন। বাদী নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিলে পুলিশ সদস্যের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা বাদী ও তার ভাইকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মোটরসাইকেল কেড়ে নেয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, বাদীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে হাজতে বন্ধ করে রাখে। বাদী তার মোবাইল ফোনে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে আসামিরা বাদীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এলাকায় ঘটনাটি জানাজানি হলে সাধারণ লোকজন থানা ঘেরাও করেন। ফলে পুলিশ বাদীকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অ্যাডভোকেট সাদেক মিয়া বলেন, আমি আমার পরিচয় দেওয়ার পর আসামিরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। ২২ নভেম্বর এ নিয়ে আমি থানায় মামলা করতে গেলে দুর্গাপুর থানার ওসি তা গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি হাসমত আলী বলেন, বিষয়টি ঘটনার দিনই সমাধান হয়ে গেছে। পুলিশ বা আইনজীবী কোনো পক্ষের কোনো অভিযোগ ছিল না। এ ব্যাপারে পরে তিনি আমার কাছে আসেননি। কী কারণে তিনি আদালতে মামলা করলেন তা বোধগম্য নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন