রৌমারী সীমান্তে চোরাকারবারির মৃত্যু
jugantor
রৌমারী সীমান্তে চোরাকারবারির মৃত্যু

  রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে এক গরু চোরাকারবারির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম সাহাব উদ্দিন (৩০)। কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে বিশেষ কায়দায় গরু নামানোর সময় ভারতের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। পালানোর সময় আরকির বাঁশে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। সঙ্গীরা তাকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এর কিছুক্ষণ পর মৃত্যু ঘটে তার। সোমবার ভোরে উপজেলার কাউয়ারচর সীমান্তে ওই ঘটনা ঘটে। চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তার মৃত্যু ঘটেছে। সাহাব উদ্দিন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্বকাউয়ার চর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তার ঘরে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় গরু ব্যবসায়িরা সন্ধ্যারাতে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। স্ত্রী অভিযোগ করেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু নামানো বন্ধ করলে আমাকে স্বামী হারাতে হতো না। সন্তানরা তাদের বাবাকে হারাত না। যাদের জন্য আমার স্বামীর মৃত্যু ঘটল তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এ ব্যাপারে রৌমারী থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রৌমারী সীমান্তে চোরাকারবারির মৃত্যু

 রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে এক গরু চোরাকারবারির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম সাহাব উদ্দিন (৩০)। কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে বিশেষ কায়দায় গরু নামানোর সময় ভারতের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। পালানোর সময় আরকির বাঁশে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। সঙ্গীরা তাকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এর কিছুক্ষণ পর মৃত্যু ঘটে তার। সোমবার ভোরে উপজেলার কাউয়ারচর সীমান্তে ওই ঘটনা ঘটে। চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তার মৃত্যু ঘটেছে। সাহাব উদ্দিন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্বকাউয়ার চর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তার ঘরে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় গরু ব্যবসায়িরা সন্ধ্যারাতে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। স্ত্রী অভিযোগ করেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু নামানো বন্ধ করলে আমাকে স্বামী হারাতে হতো না। সন্তানরা তাদের বাবাকে হারাত না। যাদের জন্য আমার স্বামীর মৃত্যু ঘটল তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এ ব্যাপারে রৌমারী থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন